• Usulud Deen Cover 2

“রাছূলগণের প্রতি বিশ্বাস” বলতে কি বুঝায়?

রাছূলগণের প্রতি বিশ্বাস পোষণ করার অর্থ হলো:- ব্যাপক ও বিশদভাবে এই ঈমান পোষণ করা যে, আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীন তাঁর বান্দাহ্‌দের প্রতি তাদের মধ্য হতে বহু সংখ্যক নাবী পাঠিয়েছেন। আল্লাহ عز وجل ইরশাদ করেছেন:-

وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَّسُولاً أَنِ اعْبُدُواْ اللّهَ وَاجْتَنِبُواْ الطَّاغُوتَ. (سورة النحل- ٣٦)

“তাক্বদীরের প্রতি ঈমান” বলতে কি বুঝায়?

তাক্বদীরের প্রতি ঈমান বলতে বুঝায় নিন্মোক্ত চারটি বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করা:-

(১) এই বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে যে, অতীতে যা কিছু ছিল এবং বর্তমান ও ভবিষ্যতে যা কিছু হচ্ছে কিংবা হবে তার সবকিছুই আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) জানা আছে। আল্লাহ عز وجل তাঁর বান্দাহ্‌দের যাবতীয় অবস্থা সম্পর্কে অবহিত। তাদের রিয্ক্ব, মৃত্যুর নির্ধারিত সময়, দৈনন্দিন কার্যাবলীসহ অন্যান্য সব বিষয়াদি সম্পর্কে তিনিই সম্যক অবগত, কোন কিছুই তাঁর

“এসো দ্বীন শিখি” পরিচিতি, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও বৈশিষ্ট্য

প্রিয় মুছলিম ভাই ও বোনেরা! বর্তমান সময়ে গোঁটা বিশ্বব্যাপী মুছলমানদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। সংখ্যায় আজ আমরা ১ বিলিয়নের ও বেশি, অর্থাৎ বিশ্বের মোট জনসংখ্যার তুলনায় প্রতি পাচঁজনের মধ্যে একজন মুছলমান। কিন্তু এতদসত্ত্বেও জাতি হিসেবে আমরা আজ পৃথিবীতে লাঞ্চিত, বঞ্চিত, নিষ্পেষিত, চরম দুর্বল ও ক্ষমতাহীন এক জাতি।

কি কি কারণে ঈমান ও ইছলাম ভঙ্গ বা বিনষ্ট হয়?

ইছলাম ভঙ্গ ও বিনষ্টকারী অনেকগুলো কারণ রয়েছে। তন্মধ্যে মৌলিক ও প্রধান দশটি কারণ হলো নিম্নরূপ:-
(১) ‘ইবাদাতে আল্লাহ্‌র সাথে শরীক বা অংশীদার নির্ধারণ করা।
এর প্রমাণ হলো আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) এ বাণী:-

وَيَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنْفَعُهُمْ وَيَقُولُونَ هَؤُلَاءِ شُفَعَاؤُنَا عِنْدَ اللَّهِ قُلْ أَتُنَبِّئُونَ اللَّهَ بِمَا لَا يَعْلَمُ فِي السَّمَاوَاتِ وَلَا فِي الْأَرْضِ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى عَمَّا يُشْرِكُونَ. (سورة يونس- ٨١)

সালাত পরিচিতি (সময় ও রাক‘আত সংখ্যা)

পাঁচ ওয়াক্ব্‌ত সালাতের সময়:-
(১) যুহ্‌র নামাযের সময়- সূর্য ঢলে যাওয়া হতে অর্থাৎ মধ্য আকাশ হতে সূর্যের পশ্চিম দিকে ঢলে যাওয়া হতে নিয়ে প্রত্যেক বস্তুর ছায়া তার সমপরিমাণ হওয়া পর্যন্ত; যতক্ষণ না ‘আসরের সময় এসে উপস্থিত হয়।

(২) ‘আস্‌র নামাযের সময়- যুহ্‌র নামাযের সময় চলে যাওয়া হতে অর্থাৎ প্রত্যেক বস্তুর ছায়া তার সমপরিমাণ হতে একটু বেড়ে যাওয়া থেকে শুরু করে দ্বিগুণ হওয়ার পরে সূর্য হলদে হয়ে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত।

(৩) মাগরিব নামাযের সময়- সূর্য ডুবার পর হতে লাল বর্ণের আভা অদৃশ্য হওয়া পর্যন্ত।

সকল নাবীর দ্বীন এবং দা‘ওয়াত কি এক ও অভিন্ন ছিল?

সকল নাবীর দ্বীন এবং দা‘ওয়াত কি এক ও অভিন্ন ছিল? হ্যাঁ, অবশ্যই সকল নাবী-রাছূলের (عليهم السلام) দ্বীন এবং তাদের দা‘ওয়াতের মূল বিষয়-বস্তু এক ও অভিন্ন ছিল। এ বিষয়ে ক্বোরআনে কারীমে আল্লাহ سبحانه وتعالى ইরশাদ করেছেন:-

وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَّسُولاً أَنِ اعْبُدُواْ اللّهَ وَاجْتَنِبُواْ الطَّاغُوتَ فَمِنْهُم مَّنْ هَدَى اللّهُ وَمِنْهُم مَّنْ حَقَّتْ عَلَيْهِ الضَّلالَةُ فَسِيرُواْ فِي الأَرْضِ فَانظُرُواْ كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الْمُكَذِّبِينَ. (سورة النحل- ٣٦)

সাহাবায়ে কিরামের (رضي الله عنهم) পারস্পরিক মান-মর্যাদা সম্পর্কে আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের ‘আক্বীদাহ কী?

সাহাবায়ে কিরামের (رضي الله عنهم أجمعين) পারস্পরিক মান-মর্যাদা সম্পর্কে আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের ‘আক্বীদাহ কী? এ বিষয়ে আহলুছ ছুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের ‘আক্বীদাহ হলো:- এই বিশ্বাস পোষণ করা যে, রাছূল এর পরে এই উম্মাতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি হলেন আবূ বাক্‌র আস্‌সিদ্দীক্ব। অতঃপর ‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব। তারপর ‘উছমান ইবনু ‘আফ্‌ফান।

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close