• Usulud Deen Cover 2

সাহাবায়ে কিরামের (رضي الله عنهم) পারস্পরিক মান-মর্যাদা সম্পর্কে আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের ‘আক্বীদাহ কী?

সাহাবায়ে কিরামের (رضي الله عنهم أجمعين) পারস্পরিক মান-মর্যাদা সম্পর্কে আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের ‘আক্বীদাহ কী? এ বিষয়ে আহলুছ ছুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের ‘আক্বীদাহ হলো:- এই বিশ্বাস পোষণ করা যে, রাছূল এর পরে এই উম্মাতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি হলেন আবূ বাক্‌র আস্‌সিদ্দীক্ব। অতঃপর ‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব। তারপর ‘উছমান ইবনু ‘আফ্‌ফান।

ত্বাগুত কী এবং ত্বাগুতকে অস্বীকার করার অর্থ কী?

ত্বাগুত শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো:- “সীমালঙ্ঘনকারী” “পথভ্রষ্টকারী” বা “বাত্বিল উপাস্য”। শারী‘য়াতের পরিভাষায়- একমাত্র আল্লাহ سبحانه وتعالى ব্যতীত অন্য যা কিছুর উপাসনা করা হয়, সে সবকে ত্বাগুত বলা হয়।

ইছলামকে যথাযথভাবে অনুসরণ করাই হচ্ছে ‍দুন্‌ইয়াতে সফলতা এবং আখিরাতে মুক্তিলাভের উপায়

সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى)। সালাত ও ছালাম বর্ষিত হোক সেই নাবীর প্রতি, যার পরে আর কোন নাবী নেই এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবায়ে কিরামের (رضي الله عنهم أجمعين) প্রতি।

অতঃপর, নিশ্চয়ই আল্লাহ ইহজগত ও পরজগত; উভয় জগত সৃষ্টি করেছেন যাতে মানুষ তাঁর (আল্লাহ্‌র) সাথে অন্য কাউকে বা কোনকিছুকে অংশীদার না করে এবং একমাত্র তারই

আহলুছ ছুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের অনুসৃত পথ কোনটি?

ইমাম আল আওযা‘য়ী বলেছেন:- “ তুমি অবশ্যই ছালাফে সালিহীনের বর্ণনা ও কথা-বার্তাকে দৃঢ়ভাবে অনুসরণ করো যদিও মানুষ তোমাকে প্রত্যাখ্যান করে। অন্যান্য মানুষের রায় বা অভিমত তা যতই সুন্দর ও সাজানো গুছানো হোক না কেন, তথাপি তুমি তা গ্রহণ ও অনুসরণ থেকে পূর্ণ সাবধান ও দূরে  থেকো। তাহলে এক পর্যায়ে এ বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়ে যাবে যে, তুমি যে পথের উপর রয়েছ সেটাই হলো সরল সঠিক পথ”।

শাসক সংশোধনের নীতি বিষয়ক ক’টি সংশয় ও তার নিরসন

আমাদের মুছলিম সমাজে কেউ কেউ মনে করে থাকেন যে, শাসকদেরকে প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করা এবং তাদের প্রতি জনসমক্ষে অনাস্থা ও অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করা, এটা হলো ছালাফে সালিহীনের (رضي الله عنهم أجمعين) নীতি ও আদর্শ। এ বিষয়ের প্রমাণস্বরূপ তারা বলে থাকেন যে, সাহাবী আবু ছা‘য়ীদ খুদরী رضي الله عنه ‘ঈদের নামাযের পূর্বে এক খুতবায় মারওয়ান বিন হাকামকে (তৎকালীন শাসক) প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এছাড়া রাছূল صلى الله عليه وسلم বলেছেন:-

إِنَّهُ يُسْتَعْمَلُ عَلَيْكُمْ أُمَرَاءُ، فَتَعْرِفُونَ وَتُنْكِرُونَ، فَمَنْ كَرِهَ فَقَدْ بَرِئَ، وَمَنْ أَنْكَرَ فَقَدْ سَلِمَ. (رواه مسلم)

বিদ‘আত পরিচিতি

বিদ‘আত শব্দের শাব্দিক ও আভিধানিক অর্থ:- ‘আরবী “বিদ‘উন” ধাতু থেকে “বিদ‘আহ” বা “বিদ‘আতুন” শব্দটি গৃহীত। “বিদ‘উন” অর্থ হলো- অপূর্ব আবিষ্কার বা পূর্ববর্তী কোন নমুনা অনুসরণ ব্যতীত নব-আবিষ্কার বা নব-উদ্ভাবন। এই অর্থেই ক্বোরআনে কারীমে ছূরা বাক্বারাহ এর ১১৭ নং আয়াতে আল্লাহ جل وعلا তার নিজের সম্পর্কে ইরশাদ করেছেন:-

হাজ্ব ও ‘উমরাহর রুক্‌ন সমূহ

‘ইবাদতের ক্ষেত্রে রুক্‌ন বলা হয় সেই সব কাজ বা বিষয়কে, যেগুলো পালন ব্যতীত ‘ইবাদত বাতিল হয়ে যায় এবং ‘ইবাদত সঠিক বা বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য যেগুলো সম্পাদনের কোন বিকল্প নেই।

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close