হাদীছ বিষয়ক

যে দু’টি বিষয় আঁকড়ে থাকলে পথভ্রষ্ট না হওয়ার নিশ্চয়তা রাছূলুল্লাহ 1 দিয়ে গেছেন, তার একটি হচ্ছে- রাছূলুল্লাহ্‌র (1) ছুন্নাহ। রাছূলুল্লাহ 1 এর কথা-বার্তা, কাজ-কর্ম, অনুমোদন ও সম্মতি এবং তাঁর দৈহিক ও চারিত্রিক গুণাবলীর বিবরণ, এসবের সমষ্টিগত নাম হলো- ছুন্নাহ। ছুন্নাহ্‌র সম্পূর্ণ বিপরীত বিষয় হলো বিদ‘আহ। বিভ্রান্তি ও ভ্রষ্টতা থেকে বাঁচতে হলে অবশ্যই ছুন্নাহ সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে হবে এবং ছুন্নাহ্‌কে আঁকড়ে ধরতে হবে।

সব গুলো প্রবন্ধ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

হাদীছের শ্রেণী ও প্রকারভেদ

হাদীছের শ্রেণী ও প্রকারভেদ:

ছনদ তথা বর্ণনাধারার শেষ বা চূড়ান্ততা বিবেচনায় হাদীছ কত প্রকার ও কি কি?

ছনদ তথা বর্ণনাধারার শেষ বা চূড়ান্ততা বিবেচনায় খাব্‌র/হাদীছ তিন প্রকার:-

(১) মারফু‘ (২) মাওক্বোফ (৩) মাক্বতূ‘।

হাদীছ বা খাব্‌রে মারফূ‘ কাকে বলে এবং তা কত প্রকার ও কি কি?

হাদীছে ক্বোদছী কাকে বলে?

আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) যে বক্তব্য আল্লাহ্‌র উদ্ধৃতি দিয়ে রাছূল صلى الله عليه وسلم এর নিজ ভাষ্যে বর্ণিত হয়েছে, তাকেই হাদীছে ক্বোদছী বলা হয়।

হাদীছে ক্বোদছী এবং ক্বোরআনুল কারীমের মধ্যে পার্থ্যক্য হলো এই যে, ক্বোরআনুল কারীমের শব্দ, বাক্য, বিষয়-বস্তু মোটকথা সবকিছু আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) পক্ষ থেকে জিবরাঈল

হাদীছ অর্থ কী, হাদীছ বলতে কি বুঝায়?

হাদীছ শব্দের শাব্দিক অর্থ হলো- নতুন। এর বহুবচন হলো- আহাদীছ।

পারিভাষিক অর্থে রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم থেকে যা কিছু কথা, কাজ ও বিভিন্ন কথা-কাজের প্রতি তাঁর সমর্থন এবং তাঁর দৈহিক ও চারিত্রিক গুণাবলী সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে তাকে হাদীছ বলে।

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close