আল ইহ্‌ছান

দ্বীনের যে তিনটি স্তর রয়েছে তার সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছে- আল ইহ্‌ছান। ঈমান ও ইছলামের সিঁড়ি বেয়ে মানযিলে মাক্বসূদে পৌঁছার পথ ও মাধ্যম হলো ইহ্‌ছান। তাই গন্তব্যে পৌঁছাতে হলে কিংবা উদ্দেশ্য সাধন করতে হলে অবশ্যই সঠিকভাবে ইহ্‌ছান অনুশীলন করতে হবে। আর সঠিক অনুশীলনের জন্য প্রয়োজন বিষয়টি সম্পর্কে সর্বাগ্রে সঠিক জ্ঞান।

সব গুলো অডিও শুনতে এখানে ক্লিক করুন

ইহকালীন জীবন

এটি উছতায হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত মানুষের ইহ-পরকালীন জীবন সম্পর্কে অত্যন্ত মূল্যবান একটি ভাষণ। এতে তিনি বলেছেন যে, কত মানুষই তো তার ইহকালীন অতি সংক্ষিপ্ত এই জীবনকে ভুলপথে পরিচালিত করে। সে তার গোঁটা জীবনকে দুন্‌ইয়ার সংক্ষিপ্ত জীবনের আরাম-‘আয়েশ আর ভোগ-বিলাসের পিছনে ব্যয় করে, অথচ সে তার আখিরাতের অনন্ত জীবনের কথা দিব্যি ভুলে যায়। সবমিলিয়ে এই ভাষণটি একটি চমৎকার উপদেশ; এটি মানুষকে আখিরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে إن شاء الله।

তাক্বওয়া বিষয়ক প্রশ্ন-উত্তর

এটি শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ। তিনি তাঁর এই বক্তব্যে তাক্বওয়া অর্জনের পন্থা ও পদ্ধতি বিষয়ে আলোচনা করেছেন । তাছাড়া উপস্থিত শ্রোতা-ভাইদের সাথে নিম্নোল্লেখিত কিছু বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছেন। বিষয়গুলো হলো:-
(ক) সুদের সাথে সম্পর্কযুক্ত হওয়ার সামর্থ থাকা সত্ত্বেও আল্লাহ্‌র ভয়ে তা থেকে দূরে থাকা।
(খ) আল্লাহ্‌র ভয়ে দাড়ি রাখা।

কিভাবে তাক্বওয়া অর্জন করা যায় (৩য় পর্ব)

এটি তাক্বওয়া অর্জন করা বিষয়ে শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত অতি গুরুত্বপূর্ণ্ ধারাবাহিক ভাষণেরই একটি অংশ। এতে তিনি শ্রোতাদেরকে তাক্বওয়া অবলম্বনের আহবান জানিয়েছেন। বক্তব্যে উল্লেখিত মূল বিষয়গুলো:-
১) তাক্বওয়া অর্জনের উপায় সম্পর্কে ধারাবাহিক আলোচনা।
২) তাক্বওয়া অর্জন করতে হলে অবশ্যই মহান আল্লাহ সম্পর্কে জানতে হবে; আল্লাহ্‌র উলুহিয়্যাহ, রুবূবিয়্যাহ ও আছমা ও সিফাত সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।
৩) “শুধু জানা” আর “এমনভাবে জানা যা আত্মসমর্পণের পথে নিয়ে যায় বা আত্মসমর্পণে বাধ্য করে” এ দু’টি বিষয়ের মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে। শা্ইখ হাম্মাদ বিল্লাহ উদাহরণসহ বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন।
আলোচনার এ পর্যায়ে শ্রোতাদের প্রতি প্রশ্ন রাখা হয় যে, কেন মানুষ ক্বাব্‌র যিয়ারত করে এবং ক্বাব্‌রবাসীদের নিকট নিজেদের বিভিন্ন প্রয়োজন পূরণের জন্য প্রর্থনা করে?

কিভাবে তাক্বওয়া অর্জন করা যায় (২য় পর্ব)

এটি তাক্বওয়া অর্জন করা বিষয়ে শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত অতি গুরুত্বপূর্ণ্ ধারাবাহিক ভাষণেরই একটি অংশ। এতে তিনি শ্রোতাদেরকে তাক্বওয়া অবলম্বনের আহবান জানিয়েছেন। বক্তব্যে উল্লেখিত মূল বিষয়গুলো হলো:-
১) আল্লাহ্‌র রুবূবিয়্যাহ এবং আল্লাহ্‌র ‘উবূদিয়্যাহ্‌র মধ্যে যোগসম্পর্ক।
২) আল্লাহ্‌র রুবূবিয়্যাহ, উলূহিয়্যাহ ও তাঁর আছমা ওয়াস সিফাতের মধ্যে যোগসম্পর্ক।
৩) যে সকল লোক রুবূবিয়্যাহ ও উলূহিয়্যাহ্‌‌তে আল্লাহ্‌র এককত্ব স্বীকার করা সত্বেও শাহজালাল, শাহপরান প্রমুখ অলী বা পীর-দরবেশের ক্ববরে তাদের নিকট প্রার্থনা করতে যায়, তারা জঘন্য শির্‌কে লিপ্ত। শাইখ তাদের সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন।
৪) তাওহীদের (তাওহীদুর রুবূবিয়্যাহ, উলূহিয়্যাহ এবং আছমা ও সিফাত-এর) বাস্তবায়ন তিনভাবে করতে হবে। তাহলেই প্রকৃত অর্থে মু’মিন-মুছলিম হওয়া যাবে।

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close