সব গুলো প্রবন্ধ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

সঠিক ‘আক্বীদাহ ও উহার পরিপন্থি বিষয়গুলো কি কি?

সঠিক তাওহীদী ‘আক্বীদাহ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের আবশ্যকতা। ক্বোরআনে কারীম ও রাছূলের (صلى الله عليه وسلم) ছুন্নাহ্‌তে বর্ণিত প্রমাণাদী দ্বারা একথা সুস্পষ্টরূপে প্রমাণিত যে, যাবতীয় কথা-বার্তা ও কাজ-কর্ম কেবল তখনই আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) নিকট সঠিক বলে স্বীকৃত ও গৃহীত হয়, যখন উহা বিশুদ্ধ ও সঠিক তাওহীদী (আল্লাহ سبحانه وتعالى এর একত্ববাদের)

আহলুছ ছুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের অনুসৃত পথ কোনটি?

ইমাম আল আওযা‘য়ী বলেছেন:- “ তুমি অবশ্যই ছালাফে সালিহীনের বর্ণনা ও কথা-বার্তাকে দৃঢ়ভাবে অনুসরণ করো যদিও মানুষ তোমাকে প্রত্যাখ্যান করে। অন্যান্য মানুষের রায় বা অভিমত তা যতই সুন্দর ও সাজানো গুছানো হোক না কেন, তথাপি তুমি তা গ্রহণ ও অনুসরণ থেকে পূর্ণ সাবধান ও দূরে  থেকো। তাহলে এক পর্যায়ে এ বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়ে যাবে যে, তুমি যে পথের উপর রয়েছ সেটাই হলো সরল সঠিক পথ”।

সব গুলো অডিও শুনতে এখানে ক্লিক করুন

ড. আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম আল বারবাহারী রচিত “শারহুছ্ ছুন্নাহ (ছুন্নাতের ব্যাখ্যা)” (২য় পর্ব)

এটি মুহ্‌তারাম আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান حفظه الله কর্তৃক আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের প্রখ্যাত ইমাম- ইমাম আল বারবাহারী رحمه الله এর অনবদ্য গ্রন্থ “শারহুছ্‌ ছুন্নাহ” এর অতি চমৎকার ও মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থের অডিও ভাষান্তর। এ পর্বে শাইখ নিম্নোক্ত বিষয়াদী সম্পর্কে আলোচনা করেছেন:-
১) গ্রন্থের শুরুতে ইমাম বারবাহারী প্রদত্ত খুতবাহ:- সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্‌র জন্যে, যিনি আমাদেরকে দ্বীনে ইছলামের পথপ্রদর্শন করেছেন এবং এর দ্বারা আমাদেরকে ধন্য করেছেন, আর আমাদেরকে শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে আবির্ভূত করেছেন। তাই আমরা তাঁর নিকট প্রার্থনা করছি, তিনি যেন আমাদেরকে যা কিছু তিনি পছন্দ করেন এবং যা কিছুতে তিনি সন্তুষ্ট হন সেসব কাজ করার তাওফীক্ব দান করেন এবং যা কিছু তিনি অপছন্দ করেন এবং যা কিছুতে তিনি রাগান্বিত হন সেসব বিষয় থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক্ব দান করেন।
২) কোন উপদেশ প্রদান, (দ্বীনী) কোন বিষয়ে কথা বলা কিংবা কোন বিষয়ে সতর্ক করার ক্ষেত্রে প্রথমে আলহামদুলিল্লাহ তথা আল্লাহ্‌র প্রশংসা দিয়ে শুরু করা হলো রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم এর ছুন্নাহ। ছালাফে সালিহীন (رضي الله عنهم ) এবং ‘উলামায়ে কিরামগণও তাদের গ্রন্থাবলী ক্বোরআনে কারীম অনুসরণে “বিছমিল্লাহ” বলে অতঃপর রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم  এর ছুন্নাহ অনুসরণে “আলহামদুলিল্লাহ” বলে শুরু করতেন।

শাইখুল ইছলাম ইবনু তাইমিয়াহ কর্তৃক রচিত “আল ‘আক্বীদাতুল ওয়াছিত্বিয়্যাহ” (৫ম পর্ব)

এটি শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাষণ। এতে তিনি ক্বোরআন ও ছুন্নাহ নির্দেশিত এবং ছালাফে সালিহীনের অনুসৃত প্রকৃত ইছলামী ‘আক্বীদাহ বিষয়ে বিশেষ করে আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) সুমহান নাম ও গুণাবলী সম্পর্কে সুস্পষ্ট দালীল-প্রমাণ সহ সংক্ষিপ্ত সারগর্ভ বক্তব্য প্রদান করেছেন।

রাছূলুল্লাহ-কে (صلى الله عليه وسلم) জানা এবং তাকে ভালোবাসা (৩য় পর্ব)

এটি শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত অত্যন্ত মূল্যবান একটি ভাষণ। এতে তিনি তিনটি মৌলনীতির মধ্য হতে দ্বিতীয় মৌলনীতি (“প্রত্যেক মুছলমানের উপর ওয়াজিব, তার নাবী-কে সঠিকভাবে চেনা ও জানা”) সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। নাবীকে (صلى الله عليه وسلم) চিনতে ও জানতে পারার ‘আলামাত হলো তাঁর অনুসরণ করা এবং মানুষের মধ্যে তাকে সবচাইতে বেশি ভালোবাসা।

মুছলমানের চারিত্রিক গুণাবলী

এটি শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত অত্যন্ত মূল্যবান একটি বক্তৃতা। এতে তিনি চারিত্রিক ও নৈতিক আচার-আচরণের বিভিন্ন স্তর ও প্রকার সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। উত্তম আচার-আচরণের সর্বোচ্চ পর্যায় হলো আল্লাহ্‌র সাথে উত্তম আচরণ। সেখান থেকে শুরু হয়ে পরবর্তীতে তা বিভিন্ন শেণী ও প্রকারে বিভক্ত হয়েছে। এসব শ্রেণী ও প্রকারের মধ্যে একটি হলো সাধারণ মানুষের সাথে সদাচরণ। ইছলাম প্রথমেই মানুষকে আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) সাথে সদাচরণের আহবান জানায়। এছাড়া, যেসকল চারিত্রিক গুণাবলীতে প্রত্যেক মুছলমানের গুণান্বিত হওয়া উচিত, শাইখ তাঁর এই বক্তৃতায় সেসব চারিত্রিক গুণাবলী ও আচার-আচরণ সম্পর্কে আমাদেরকে স্ববিস্তার অবহিত করেছেন।

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close