সব গুলো নিউজ লেটার দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ইত্তিলা‘ ২য় সংস্করণ

ইত্তিলা‘ ২য় সংস্করণে প্রকাশিত বিষয়াদী: -রামাযান, রোযা ও রোযাদার, কাফির-মুরতাদের পরিচয়, ‘উলামায়ে কেরামের করণীয়, প্রসঙ্গ- সমগ্র বিশ্বে একসাথে রোযা ও ‘ঈদ পালন, ‘আলিমগণের মর্যাদা ও দ্বীনের হিফাযত, ‘ইবাদতের অর্থ ও তাত্‍পর্য, মুক্বতাদীগণ সাবধান!

সব গুলো প্রবন্ধ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

‘ইবাদাতের অর্থ ও তাৎপর্য

ইবাদাত শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো:- চূড়ান্ত বিনয়, আনুগত্য ও বশ্যতা।
শারী‘য়াতের পরিভাষায়- প্রকাশ্য কিংবা গোপনীয় যেসব কথা ও কাজ আল্লাহ سبحانه وتعالى ভালোবাসেন ও পছন্দ করেন, সে সবের একটি সামষ্টিক নাম হলো- ‘ইবাদাত।
শারী‘য়াতের পরিভাষায় আল্লাহ্‌র ‘ইবাদাত বলতে কি বুঝায়? 

কালিমাতুশ্ শাহাদাহ্ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এই কালিমাহ্‌’র শর্ত কয়টি ও কি কি?

কালিমাতুশ্ শাহাদাহ এর সাতটি শর্ত (কোন কোন ‘‌উলামায়ে কিরাম বলেছেন- আটটি শর্ত) একত্রে; একই সাথে পূরণ করতে হবে। তা হলেই কেবল প্রকৃত অর্থে মুছলমান হওয়া যাবে। কালিমাতুশ্ শাহাদাহ্ ّ“لا اله إلا الله” এর শর্তগুলো হলো

মানব ও জিন জাতি সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি?

মানব ও জিন জাতিকে সৃষ্টির মূলে আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) এক মহান হিকমাত ও উদ্দেশ্য রয়েছে। আর তা হলো- তারা একমাত্র আল্লাহ্‌র (جل وعلا) ‘ইবাদাত করবে অন্য কারো নয়।

আরকানুল ইছলাম বা ইছলামের ভিত্তি কয়টি ও কি কি?

ইছলামের মূল ভিত্তি (রুক্‌ন) হলো পাঁচটি। এর প্রমাণ হলো:-‌ ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার رضى الله عنهما থেকে বর্ণিত হাদীছে রয়েছে, রাছূল صلى الله عليه وسلم ইরশাদ করেছেন:-

بُنِيَ الْإِسْلَامُ عَلَى خَمْسَةٍ، عَلَى أَنْ يُوَحَّدَ اللهُ -وفى رواية- شَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ, وَإِقَامِ الصَّلَاةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَصِيَامِ رَمَضَانَ، وَالْحَجِّ. (رواه البخاري ومسلم)

সব গুলো অডিও শুনতে এখানে ক্লিক করুন

ড. আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম আল বারবাহারী রচিত “শারহুছ্ ছুন্নাহ (ছুন্নাতের ব্যাখ্যা)” (৫ম পর্ব)

এটি মুহ্‌তারাম আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান حفظه الله কর্তৃক আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের প্রখ্যাত ইমাম- ইমাম আল বারবাহারী رحمه الله এর অনবদ্য গ্রন্থ “শারহুছ্‌ ছুন্নাহ” এর অতি চমৎকার ও মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থের অডিও ভাষান্তর। এ পর্বে শাইখ নিম্নোক্ত বিষয়াদী সম্পর্কে আলোচনা করেছেন:-
১) ‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব رضي الله عنها বলেছেন:-এটা কারো জন্যে ‘উয্‌র নয় যে, সে সঠিক পথের উপর আছে মনে করে ভ্রান্থ পথ অবলম্বন করবে। তদ্রুপ এটাও কারো জন্যে ‘উযর বলে গণ্য হবে না যে, সে সঠিক পথকে ভ্রান্থ পথ মনে করে সেটাকে বর্জন করবে। কেননা দ্বীনের সকল বিষয় সুস্পষ্ট হয়ে গেছে, প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে এবং ‘উযর পেশ করার পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে। (ইবনু বাত্ত্বাহ “ইবানাতুল কুবরা” গ্রন্থে {আছার নং ১৬০} আওযা‘য়ীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, ‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব رضي الله عنها বলেছেন মর্মে উক্ত কথাটি তাঁর কাছে পৌঁছেছে। যাই হোক, উক্ত বর্ণনাটির বর্ণনাধারা বিচ্ছিন্ন )
২) প্রকৃত আহলুল ‘ইলমের নিকট হতে জ্ঞান অর্জন করা এবং সত্য অনুসন্ধান করা আবশ্যক।

ড. আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম আল বারবাহারী রচিত “শারহুছ্ ছুন্নাহ (ছুন্নাতের ব্যাখ্যা)” (৪র্থ পর্ব)

এটি মুহ্‌তারাম আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান حفظه الله কর্তৃক আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের প্রখ্যাত ইমাম- ইমাম আল বারবাহারী رحمه الله এর অনবদ্য গ্রন্থ “শারহুছ্‌ ছুন্নাহ” এর অতি চমৎকার ও মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থের অডিও ভাষান্তর। এ পর্বে শাইখ নিম্নোক্ত বিষয়াদী সম্পর্কে আলোচনা করেছেন:-
১) যে ভিত্তির উপর জামাআহ প্রতিষ্ঠিত, সেই ভিত্তি হলেন রাছূলের (صلى الله عليه وسلم) সাহাবায়ে কিরাম (رضي الله عنهم )। তারাই হলেন আহলুছ্‌ ছুন্নাহ ওয়াল জামা‘আহ। সুতরাং যে কেহ তাদের থেকে দ্বীন গ্রহণ করবে না সে-ই হবে পথভ্রষ্ট এবং বিদ‘আত অবলম্বনকারী। আর (দ্বীনের মধ্যে) প্রতিটি বিদ‘আতই হলো গোমরাহী বা ভ্রষ্টতা এবং প্রতিটি ভ্রষ্টতা ও তা অবলম্বনকারীদের গন্তব্য হলো জাহান্নাম।
২) কোন জামা‘আতের সঙ্গে আমাদের সুদৃঢ়ভাবে থাকা উচিত?
৩) জামা‘আতের ভিত্তি কি?

ড. আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম আল বারবাহারী রচিত “শারহুছ্ ছুন্নাহ (ছুন্নাতের ব্যাখ্যা)” (৩য় পর্ব)

এটি মুহ্‌তারাম আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান حفظه الله কর্তৃক আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের প্রখ্যাত ইমাম- ইমাম আল বারবাহারী رحمه الله এর অনবদ্য গ্রন্থ “শারহুছ্‌ ছুন্নাহ” এর অতি চমৎকার ও মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থের অডিও ভাষান্তর।  এ পর্বে শাইখ নিম্নোক্ত বিষয়াদী সম্পর্কে আলোচনা করেছেন:-
১) জেনে রাখুন! ইছলামই হলো ছুন্নাহ আর ছুন্নাহ্‌ই হলো ইছলাম। এ দু’টির একটি ব্যতীত অপরটি প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।
২) জামা‘আতকে আঁকড়ে ধরা হচ্ছে ছুন্নাত। যে ব্যক্তি আল জামা‘আত ব্যতীত অন্য কিছু প্রত্যাশা করে এবং জামা‘আত থেকে বিচ্ছিন্নতা অবলম্বন করে, সে যেন ইছলামের শৃঙ্খল নিজের ঘাড় থেকে ছিঁড়ে ফেলে দিল এবং সে সে নিজে পথভ্রষ্ট এবং অন্যকে পথভ্রষ্টকারীরূপে আবির্ভূত হলো।

ড. আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম আল বারবাহারী রচিত “শারহুছ্ ছুন্নাহ (ছুন্নাতের ব্যাখ্যা)” (২য় পর্ব)

এটি মুহ্‌তারাম আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান حفظه الله কর্তৃক আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের প্রখ্যাত ইমাম- ইমাম আল বারবাহারী رحمه الله এর অনবদ্য গ্রন্থ “শারহুছ্‌ ছুন্নাহ” এর অতি চমৎকার ও মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থের অডিও ভাষান্তর। এ পর্বে শাইখ নিম্নোক্ত বিষয়াদী সম্পর্কে আলোচনা করেছেন:-
১) গ্রন্থের শুরুতে ইমাম বারবাহারী প্রদত্ত খুতবাহ:- সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্‌র জন্যে, যিনি আমাদেরকে দ্বীনে ইছলামের পথপ্রদর্শন করেছেন এবং এর দ্বারা আমাদেরকে ধন্য করেছেন, আর আমাদেরকে শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে আবির্ভূত করেছেন। তাই আমরা তাঁর নিকট প্রার্থনা করছি, তিনি যেন আমাদেরকে যা কিছু তিনি পছন্দ করেন এবং যা কিছুতে তিনি সন্তুষ্ট হন সেসব কাজ করার তাওফীক্ব দান করেন এবং যা কিছু তিনি অপছন্দ করেন এবং যা কিছুতে তিনি রাগান্বিত হন সেসব বিষয় থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক্ব দান করেন।
২) কোন উপদেশ প্রদান, (দ্বীনী) কোন বিষয়ে কথা বলা কিংবা কোন বিষয়ে সতর্ক করার ক্ষেত্রে প্রথমে আলহামদুলিল্লাহ তথা আল্লাহ্‌র প্রশংসা দিয়ে শুরু করা হলো রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم এর ছুন্নাহ। ছালাফে সালিহীন (رضي الله عنهم ) এবং ‘উলামায়ে কিরামগণও তাদের গ্রন্থাবলী ক্বোরআনে কারীম অনুসরণে “বিছমিল্লাহ” বলে অতঃপর রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم  এর ছুন্নাহ অনুসরণে “আলহামদুলিল্লাহ” বলে শুরু করতেন।

সব গুলো ফাতাওয়া দেখতে এখানে ক্লিক করুন

কোর্টে (‘আদালাতে) ওকালতির কাজ করতে যেয়ে একজন আইনজীবীকে কখনো মন্দের পক্ষাবলম্বন করতে হয়, মন্দকে সাহায্য করতে হয়…

অন্যায় ও মন্দকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়া অত্যন্ত খারাপ কাজ (একজন অপরাধীকে অপরাধী জানা সত্ত্বেও তার সাফাই গাওয়া চরম মিথ্যাচার ব্যতীত কিছুই নয়। অথচ মিথ্যাচার হলো অন্যতম কাবীরাহ গুনাহ)। তাই মন্দকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দানের কিংবা মিথ্যাচারের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ অবশ্যই হারাম। ক্বোরআনে কারীমে আল্লাহ سبحانه وتعالى ইরশাদ করেছেন

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close