সব গুলো প্রবন্ধ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ক্বোরবানীর তাৎপর্য ও বিধান

আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) নৈকট্য ও সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য প্রায় সকল উম্মাতের মধ্যেই ক্বোরবানীর প্রচলন ছিল। এটা আগেকার নাবীগণেরও ছুন্নাত ছিল। ক্বোরআনে কারীমে আল্লাহ (سبحانه وتعالى) ইরশাদ করেছেন:-

وَلِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنسَكًا لِيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَى مَا رَزَقَهُم مِّن بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ

হাজ্জ ও ‘উমরাহ্‌ পালনের ছুন্নাহ্‌সম্মত পদ্ধতি

আপনি যদি হাজ্জ সম্পাদন করতে চান এবং সে উদ্দেশ্যে হাজ্জের মাস সমূহের মধ্যে মীক্বাতে (যেখান থেকে হাজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধা হয় সে স্থানে) পৌঁছে যান, তাহলে আপনি তিন প্রকারের যে কোন এক প্রকার হাজ্জ পালন করতে পারেন। এই তিন প্রকার হাজ্জ হলো যথা:-

১। হাজ্জে তামাত্তু‘। আর এটাই হলো সবচেয়ে উত্তম। হাজ্জে তামাত্তু‘ হলো- আপনি যদি আপনার সাথে ক্বোরবানীর পশু না নিয়ে যান এবং আপনার হাতে যদি হাজ্জের জন্য পর্যাপ্ত সময়

হাজ্ব ও ‘উমরাহর রুক্‌ন সমূহ

‘ইবাদাতের ক্ষেত্রে রুক্‌ন বলা হয় সেই সব কাজ বা বিষয়কে, যেগুলো পালন ব্যতীত ‘ইবাদাত বাতিল হয়ে যায় এবং ‘ইবাদাত সঠিক বা বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য যেগুলো সম্পাদনের কোন বিকল্প নেই। হাজ্জ বা ‘উমরাহর রুক্‌ন হলো সেই সব কাজ বা বিষয়, যেগুলো পালন ব্যতীত হাজ্জ বা ‘উমরাহ আদায় হয় না বরং তা বাতিল হয়ে যায়।

হাজ্জ অস্বীকারকারীর বিধান

যে ব্যক্তি হাজ্জকে দ্বীনে ইছলামের একটি রুক্‌ন এবং অত্যাবশ্যকীয় ফার্‌য ‘ইবাদাত বলে স্বীকার না করবে তথা অস্বীকার করবে, সে ব্যক্তি নিঃসন্দেহে ইছলাম বহির্ভূত কাফির।

সব গুলো অডিও শুনতে এখানে ক্লিক করুন

রাছূলুল্লাহ-কে (صلى الله عليه وسلم) জানা এবং তাকে ভালোবাসা (৪র্থ পর্ব)

এটি শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত অত্যন্ত মূল্যবান একটি ভাষণ। এতে তিনি তিনটি মৌলনীতির মধ্য হতে দ্বিতীয় মৌলনীতি (“প্রত্যেক মুছলমানের উপর ওয়াজিব, তার নাবী-কে সঠিকভাবে চেনা ও জানা”) সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। নাবীকে (صلى الله عليه وسلم) চিনতে ও জানতে পারার ‘আলামাত হলো তাঁর অনুসরণ করা এবং মানুষের মধ্যে তাকে সবচাইতে বেশি ভালোবাসা।

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close