সব গুলো প্রবন্ধ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

“মুহাম্মাদুর্‌ রাছূলুল্লাহ” এই শাহাদাহ তথা সাক্ষ্যের অর্থ ও তাৎপর্য কি?

“মুহাম্মাদ صلى الله عليه وسلم আল্লাহ্‌র রাছূল” এই সাক্ষ্যের প্রকৃত অর্থ হলো:- মুহাম্মাদ صلى الله عليه وسلم মানব ও জিন জাতির প্রতি আল্লাহ্‌র প্রেরিত সর্বশেষ রাছূল, যার কাছে আল্লাহ্‌র পক্ষ হতে একের পর এক বার্তা বা সংবাদ আসে। তিনি ইলাহ বা উপাস্য নন এবং উপাস্য হওয়ার কোন গুণাবলী বা যোগ্যতা তাঁর মধ্যে নেই। তিনি শুধুমাত্র আল্লাহ্‌র এক বান্দাহ এবং তাঁর প্রেরিত নাবী ও রাছূল।

দালায়িলুন্‌ নাবুওয়্যাত বা নাবুওয়্যাতের প্রমাণাদী

ক্বোরআনে কারীমই হলো রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم এর নাবুওয়্যাতের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রমাণ। এই প্রমাণ ছাড়াও মাতৃগর্ভে থাকাকালীন সময় থেকে নিয়ে রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم এর জীবনে বিভিন্ন সময়ে এমন কতক অলৌকিক ঘটনাবলী সংঘটিত হয়েছে, যেগুলো সুস্পষ্টরূপে তাঁর নাবুওয়্যাতের ইঙ্গিত ও প্রমাণ বহন করে।

“রাছূলগণের প্রতি বিশ্বাস” বলতে কি বুঝায়?

রাছূলগণের প্রতি বিশ্বাস পোষণ করার অর্থ হলো:- ব্যাপক ও বিশদভাবে এই ঈমান পোষণ করা যে, আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীন তাঁর বান্দাহ্‌দের প্রতি তাদের মধ্য হতে বহু সংখ্যক নাবী পাঠিয়েছেন। আল্লাহ عز وجل ইরশাদ করেছেন:-

وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَّسُولاً أَنِ اعْبُدُواْ اللّهَ وَاجْتَنِبُواْ الطَّاغُوتَ. (سورة النحل- ٣٦)

সব গুলো অডিও শুনতে এখানে ক্লিক করুন

ড. আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম আল বারবাহারী রচিত “শারহুছ্ ছুন্নাহ (ছুন্নাতের ব্যাখ্যা)” (২য় পর্ব)

এটি মুহ্‌তারাম আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান حفظه الله কর্তৃক আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের প্রখ্যাত ইমাম- ইমাম আল বারবাহারী رحمه الله এর অনবদ্য গ্রন্থ “শারহুছ্‌ ছুন্নাহ” এর অতি চমৎকার ও মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থের অডিও ভাষান্তর। এ পর্বে শাইখ নিম্নোক্ত বিষয়াদী সম্পর্কে আলোচনা করেছেন:-
১) গ্রন্থের শুরুতে ইমাম বারবাহারী প্রদত্ত খুতবাহ:- সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্‌র জন্যে, যিনি আমাদেরকে দ্বীনে ইছলামের পথপ্রদর্শন করেছেন এবং এর দ্বারা আমাদেরকে ধন্য করেছেন, আর আমাদেরকে শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে আবির্ভূত করেছেন। তাই আমরা তাঁর নিকট প্রার্থনা করছি, তিনি যেন আমাদেরকে যা কিছু তিনি পছন্দ করেন এবং যা কিছুতে তিনি সন্তুষ্ট হন সেসব কাজ করার তাওফীক্ব দান করেন এবং যা কিছু তিনি অপছন্দ করেন এবং যা কিছুতে তিনি রাগান্বিত হন সেসব বিষয় থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক্ব দান করেন।
২) কোন উপদেশ প্রদান, (দ্বীনী) কোন বিষয়ে কথা বলা কিংবা কোন বিষয়ে সতর্ক করার ক্ষেত্রে প্রথমে আলহামদুলিল্লাহ তথা আল্লাহ্‌র প্রশংসা দিয়ে শুরু করা হলো রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم এর ছুন্নাহ। ছালাফে সালিহীন (رضي الله عنهم ) এবং ‘উলামায়ে কিরামগণও তাদের গ্রন্থাবলী ক্বোরআনে কারীম অনুসরণে “বিছমিল্লাহ” বলে অতঃপর রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم  এর ছুন্নাহ অনুসরণে “আলহামদুলিল্লাহ” বলে শুরু করতেন।

শাইখুল ইছলাম ইবনু তাইমিয়াহ কর্তৃক রচিত “আল ‘আক্বীদাতুল ওয়াছিত্বিয়্যাহ” (২য় পর্ব)

এটি শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাষণ। এতে তিনি ক্বোরআন ও ছুন্নাহ নির্দেশিত এবং ছালাফে সালিহীনের অনুসৃত প্রকৃত ইছলামী ‘আক্বীদাহ বিষয়ে বিশেষ করে আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) সুমহান নাম ও গুণাবলী সম্পর্কে সুস্পষ্ট দালীল-প্রমাণ সহ সংক্ষিপ্ত সারগর্ভ বক্তব্য প্রদান করেছেন।

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close