হাজ্জ কার উপর ফার্‌য? হাজ্জ ফার্‌য হওয়ার জন্য শর্ত কয়টি ও কি কি?

হাজ্জ ফার্‌য হওয়ার জন্য পুরুষদের ক্ষেত্রে পাচটি এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত আরো একটি অর্থাৎ ৬টি শর্ত রয়েছে। এই শর্তগুলো একত্রে একসাথে যখনই যার মধ্যে পাওয়া যাবে, সাথে সাথে তার উপর হাজ্ব সম্পাদন করা ফার্‌য হয়ে যাবে।

এ কথার প্রমাণ হলোঃ- ইবনে ‘আব্বাছ رضي الله عنه থেকে বর্ণিত হাদীছ- রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেনঃ-

تعجلوا إلى الحج فإن أحكم لايدرى مايعرض له. (رواه الإمام أحمد)

অর্থাৎ:- তোমরা হাজ্ব আদায়ে দ্রুত এগিয়ে যাও, কেননা তোমাদের কেউই জানে না যে তার সামনে কি আসবে। (অর্থাৎ, সে কি অবস্থার সম্মুখিন হবে, আগামীতে তার হাজ্ব আদায়ের সামর্থ থাকবে কি – না।) (মুছনাদে ইমাম আহমাদ)

সারা জীবনে একবার মাত্র হাজ্জ আদা করা ফার্‌য। এ কথার প্রমাণ হলো-ইবনু ‘আব্বাছ رضي الله عنه থেকে বর্ণিত, আক্বরা‘ বিন হাবিছ رضي الله عنه রাছূলুল্লাহ্‌কে (صلى الله عليه وسلم) জিজ্ঞেস করেছিলেনঃ-

يا رسول الله الحج في كل سنة أو مرة واحدة؟ قال ‏ ‏بل مرة واحدة فمن زاد فهو تطوع. (أخرجه أبو داود‏)

অর্থাৎ:- হে আল্লাহ্‌র রাছূল ! হাজ্ব কি প্রতি বছর, না একবার? রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বললেনঃ- (প্রতি বছর নয়) বরং একবার, সুতরাং যে একাধিকবার করবে সেটা হবে নাফল। (আবূ দাঊদ)

Notice: Terrorism in Bangladesh

Esho Din Shikhi condemns all forms of terrorism in Bangladesh and around the world. Please refer to our audios and articles to learn about prohibition of terrorism in Islaam.

We ask Allaah سبحانه وتعالى to protect all Muslims and non-Muslims who are oppressed around the world. Aameen.

ক্বোরবানীর তাৎপর্য ও বিধান

আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) নৈকট্য ও সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য প্রায় সকল উম্মাতের মধ্যেই ক্বোরবানীর প্রচলন ছিল। এটা আগেকার নাবীগণেরও ছুন্নাত ছিল। ক্বোরআনে কারীমে আল্লাহ (سبحانه وتعالى) ইরশাদ করেছেন:-

وَلِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنسَكًا لِيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَى مَا رَزَقَهُم مِّن بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ

হাজ্জ ও ‘উমরাহ্‌ পালনের ছুন্নাহ্‌সম্মত পদ্ধতি

আপনি যদি হাজ্জ সম্পাদন করতে চান এবং সে উদ্দেশ্যে হাজ্জের মাস সমূহের মধ্যে মীক্বাতে (যেখান থেকে হাজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধা হয় সে স্থানে) পৌঁছে যান, তাহলে আপনি তিন প্রকারের যে কোন এক প্রকার হাজ্জ পালন করতে পারেন। এই তিন প্রকার হাজ্জ হলো যথা:-

১। হাজ্জে তামাত্তু‘। আর এটাই হলো সবচেয়ে উত্তম। হাজ্জে তামাত্তু‘ হলো- আপনি যদি আপনার সাথে ক্বোরবানীর পশু না নিয়ে যান এবং আপনার হাতে যদি হাজ্জের জন্য পর্যাপ্ত সময়

‘ইবাদাতের অর্থ ও তাৎপর্য

ইবাদাত শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো:- চূড়ান্ত বিনয়, আনুগত্য ও বশ্যতা।
শারী‘য়াতের পরিভাষায়- প্রকাশ্য কিংবা গোপনীয় যেসব কথা ও কাজ আল্লাহ سبحانه وتعالى ভালোবাসেন ও পছন্দ করেন, সে সবের একটি সামষ্টিক নাম হলো- ‘ইবাদাত।
শারী‘য়াতের পরিভাষায় আল্লাহ্‌র ‘ইবাদাত বলতে কি বুঝায়? 

পবিত্রতা অর্জনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

ইছলামী শারী‘য়াতে “পবিত্রতা অর্জনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা” সম্পর্কে আলোচনা করতে গেলে প্রথমেই আসে সালাত প্রসঙ্গ। দ্বীনে ইছলামের দ্বিতীয় ভিত্তি হলো সালাত। শাহাদাতাইনের পরেই হলো সালাতের স্থান। মুছলমান এবং কাফিরের মধ্যে পার্থক্য বিধানকারী বিষয় হলো সালাত। এটি ইছলামের অন্যতম একটি ভিত্তি। ক্বিয়ামাতের দিন (প্রত্যেক ঈমানদারের নিকট হতে) সর্বপ্রথম যে বিষয়টির হিসাব নেয়া হবে সেটি হলো- সালাত। যদি বান্দাহ্‌র সালাত সঠিক ও গ্রহণযোগ্য হয়ে যায়, তাহলে তার অন্যান্য

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close