সব গুলো প্রবন্ধ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

‘ইবাদাতের অর্থ ও তাৎপর্য

ইবাদাত শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো:- চূড়ান্ত বিনয়, আনুগত্য ও বশ্যতা।
শারী‘য়াতের পরিভাষায়- প্রকাশ্য কিংবা গোপনীয় যেসব কথা ও কাজ আল্লাহ سبحانه وتعالى ভালোবাসেন ও পছন্দ করেন, সে সবের একটি সামষ্টিক নাম হলো- ‘ইবাদাত।
শারী‘য়াতের পরিভাষায় আল্লাহ্‌র ‘ইবাদাত বলতে কি বুঝায়? 

পবিত্রতা অর্জনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

ইছলামী শারী‘য়াতে “পবিত্রতা অর্জনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা” সম্পর্কে আলোচনা করতে গেলে প্রথমেই আসে সালাত প্রসঙ্গ। দ্বীনে ইছলামের দ্বিতীয় ভিত্তি হলো সালাত। শাহাদাতাইনের পরেই হলো সালাতের স্থান। মুছলমান এবং কাফিরের মধ্যে পার্থক্য বিধানকারী বিষয় হলো সালাত। এটি ইছলামের অন্যতম একটি ভিত্তি। ক্বিয়ামাতের দিন (প্রত্যেক ঈমানদারের নিকট হতে) সর্বপ্রথম যে বিষয়টির হিসাব নেয়া হবে সেটি হলো- সালাত। যদি বান্দাহ্‌র সালাত সঠিক ও গ্রহণযোগ্য হয়ে যায়, তাহলে তার অন্যান্য

নামাযের ভিতরের রুক্‌ন বা ফার্‌য সমূহ

নামাযের ভিতরে মোট ১১টি রুক্‌ন বা ফার্‌য কর্ম রয়েছে। ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় এগুলোর কোন একটি বাদ পড়ে গেলে নামায বাত্বিল হয়ে যাবে।

রুক্‌নগুলো হলো যথা:-

(১) তাকবীরে তাহ্‌রীমাহ বলা। এর প্রমাণ হলো- রাছূল صلى الله عليه وسلم বলেছেন:-

مِفْتَاحُ الصَّلَاةِ الطُّهُورُ، وَتَحْرِيمُهَا التَّكْبِيرُ، وَتَحْلِيلُهَا التَّسْلِيمُ. (مسند أحمد, أبو داؤد, ترمذى, إبن ماجة)

সালাত ফার্‌য হওয়ার জন্য শর্ত কয়টি ও কি কি?

সালাত ফার্‌য হওয়ার জন্য রয়েছে ৩টি শর্ত। এ তিনটি শর্ত একত্রে একসাথে যার মধ্যে পাওয়া যাবে তার উপর সালাত ফার্‌য।

শর্তগুলো হলো যথা:-

(এক) মুছলমান হওয়া।

শুধু সালাতই নয় বরং অন্যান্য যে কোন ‘ইবাদাতের ক্ষেত্রেই মুছলমান হওয়া পূর্বশর্ত। কেননা ইছলাম ছাড়া কোন ‘ইবাদাতই আল্লাহ্‌র (جل وعلا) নিকট গ্রহণযোগ্য নয়।

সব গুলো অডিও শুনতে এখানে ক্লিক করুন

ড. আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম আল বারবাহারী রচিত “শারহুছ্ ছুন্নাহ (ছুন্নাতের ব্যাখ্যা)” (৩য় পর্ব)

এটি মুহ্‌তারাম আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান حفظه الله কর্তৃক আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের প্রখ্যাত ইমাম- ইমাম আল বারবাহারী رحمه الله এর অনবদ্য গ্রন্থ “শারহুছ্‌ ছুন্নাহ” এর অতি চমৎকার ও মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থের অডিও ভাষান্তর।  এ পর্বে শাইখ নিম্নোক্ত বিষয়াদী সম্পর্কে আলোচনা করেছেন:-
১) জেনে রাখুন! ইছলামই হলো ছুন্নাহ আর ছুন্নাহ্‌ই হলো ইছলাম। এ দু’টির একটি ব্যতীত অপরটি প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।
২) জামা‘আতকে আঁকড়ে ধরা হচ্ছে ছুন্নাত। যে ব্যক্তি আল জামা‘আত ব্যতীত অন্য কিছু প্রত্যাশা করে এবং জামা‘আত থেকে বিচ্ছিন্নতা অবলম্বন করে, সে যেন ইছলামের শৃঙ্খল নিজের ঘাড় থেকে ছিঁড়ে ফেলে দিল এবং সে সে নিজে পথভ্রষ্ট এবং অন্যকে পথভ্রষ্টকারীরূপে আবির্ভূত হলো।

সব গুলো ফাতাওয়া দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাদের সমাজে অনেকেই সালাতে দাঁড়িয়ে ক্বিবলামুখী হয়ে তাকবীরে তাহ্‌রীমাহ বলার আগেই এই বাক্যগুলো…

উক্ত যিক্‌রটি তাকবীরে তাহ্‌রীমাহ্‌র আগে নয়, পরে পাঠ করা মুছতাহাব্ব। এটি সালাতের প্রারম্ভিক বা সালাত আরম্ভ করার যিক্‌র হিসেবে রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم হতে বর্ণিত রয়েছে। ‘আলী رضي الله عنه হতে বর্ণিত যে, রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم মাঝে মধ্যে সালাতে দাঁড়িয়ে তাকবীরে তাহ্‌রীমাহ বলার পর-

“وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيفًا، وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ، إِنَّ صَلَاتِي، وَنُسُكِي، وَمَحْيَايَ، وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ، لَا شَرِيكَ لَهُ، وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ”

যে ব্যক্তি তাবিয লিখে এবং সে যদি কোন মাছজিদের ইমাম হয়ে থাকে, তাহলে তার পিছনে সালাত আদা করা জায়িয হবে কি?

যেহেতু তাবিয-কবচ ঝুলানো জায়িয নয়, তাই তাবিয লিখাও উচিত নয়। তবে হ্যাঁ, যদি কেউ ক্বোরআনে কারীমের আয়াত দ্বারা কিংবা শারী‘য়াত সম্মত দু‘আ দ্বারা তাবিয লিখে থাকে, তাহলে তার পিছনে সালাত পড়া জায়িয হবে। আর যে ব্যক্তি শির্‌কী বিষয়াদী সম্বলিত তাবিয লিখে থাকে, তার পিছনে সালাত আদা করা যাবে না। শুধু তাই নয় বরং যিনি

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close