ক্বোরআন বিষয়ক

ক্বোরআনে কারীম হলো আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীনের শাশ্বত চিরন্তন সুমহান বাণী। এটা কোন সৃষ্ট বস্তু নয়। শারী‘য়াতের সর্বপ্রধান ভিত্তি হলো- ক্বোরআনে কারীম। মানবজাতির জন্য এ মহাগ্রন্থখানী হলো সুমহান আলোকবর্তিকা ও পথপ্রদর্শক। এই মহাগ্রন্থের মধ্যেই নিহিত রয়েছে মানবজাতির ইহ-পরকালের সুখ-শান্তি, মুক্তি ও সফলতার সুস্পষ্ট পথনির্দেশ। প্রয়াজন শুধু একে সঠিকভাবে সঠিক অর্থে জানা এবং যথাযথভাবে অনুসরণ করা।

সব গুলো প্রবন্ধ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আরাবী হার্‌ফ কয়টি ও কি কি?

‘আরাবী হার্‌ফ ২৯টি। যথা:- 

ا ب ت ث ج ح خ د ذ ر ز س ش ص ض ط ظ ع غ ف ق ك ل م ن و ه ء ي

মাখরাজের বিবরণ ও তার উচ্চারণ পদ্ধতি:-

যে স্থান থেকে হার্‌ফ (বর্ণ) উচ্চারিত হয় সে স্থানকে তথা হার্‌ফ উচ্চারণের স্থানকে মাখরাজ বলা হয়।

তাজওয়ীদ কী, তাজওয়ীদ বলতে কি বুঝায়?

‘আরাবী প্রতিটি হার্‌ফকে (বর্ণকে) তার পূর্ণ সিফাত তথা অবস্থা ও গুণাবলী সহকারে তার সঠিক মাখরাজ (উচ্চারণস্থল) থেকে উচ্চারণ করাকে ‘তাজওয়ীদ’ বলে। তাজওয়ীদ অনুযায়ী কুরআনে কারীম তিলাওয়াত করা অবশ্য কর্তব্য।

সব গুলো অডিও শুনতে এখানে ক্লিক করুন

আল ফাওয়াইদ: ক্বোরআন থেকে উপকৃত হওয়ার শর্তাবলী কি কি?

এই আলোচনাটি মূলত ইমাম ইবনুল ক্বায়্যিম আল জাওযিয়্যাহ رحمه الله এর প্রখ্যাত গ্রন্থ “আল ফাওয়ায়িদ থেকে করা হয়েছে। ‘আরাবী থেকে বাংলায় ভাষান্তরিত এই আলোচনাটি করেছেন শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله। এতে ইমাম ইবনুল ক্বায়্যিম رحمه الله এর শিক্ষাদীক্ষা ও প্রজ্ঞা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনার পর ক্বোরআনে কারীম থেকে উপকার বা কল্যাণ লাভের শর্তাবলী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ক্বোরআনে কারীম হলো আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীনের বাণী এবং তাঁর নাযিলকৃত সর্বশেষ গ্রন্থ। ক্বোরআন দ্বারা উপকৃত হতে হলে পরিপূর্ণ নিষ্ঠা, একাগ্রতা এবং মনোযোগ সহকারে এটি পাঠ করতে হবে। ক্বোরআনে কারীম হলো এমন একটি বিষ্ময়কর মহাগ্রন্থ যার পাঠকারীগণই কেবল উপকৃত বা কল্যাণপ্রাপ্ত হন না, বরং মনোযোগ সহকারে যারা এটি শ্রবণ করেন তারাও এর দ্বারা অসংখ্য কল্যাণ ও উপকার লাভ করে থাকেন।

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close