সব গুলো প্রবন্ধ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ইছলামী ‘আক্বীদাহ্‌র (ঈমানের) মূল ভিত্তি কয়টি ও কি কি?

ইছলামী ‘আক্বীদাহ্‌র (ঈমানের) মূল ভিত্তিসমূহ ছয়টি। যথা:- (১) আল্লাহ্‌র প্রতি বিশ্বাস (২) ফিরিশতাগণের প্রতি বিশ্বাস (৩) কিতাব সমূহের প্রতি বিশ্বাস (৪) রাছূলগণের প্রতি বিশ্বাস (৫) শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস (৬) তাক্বদীরের ভালো-মন্দের প্রতি বিশ্বাস।

“কিতাব সমূহের প্রতি বিশ্বাস” বলতে কি বুঝায়?

আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) নাযিলকৃত কিতাব সমূহের প্রতি ঈমান পোষণ করার অর্থ হলো:- ব্যাপক ও বিশদভাবে এ বিশ্বাস পোষণ করা যে, আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীন আপন সত্যের ঘোষণা এবং এর প্রতি মানবজাতিকে আহবান জানানোর উদ্দেশ্যে তাঁর নাবী ও রাছূলগণের উপর বহু সংখ্যক কিতাব নাযিল করেছেন।

সব গুলো অডিও শুনতে এখানে ক্লিক করুন

ড. আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম আল বারবাহারী রচিত “শারহুছ্ ছুন্নাহ (ছুন্নাতের ব্যাখ্যা)” (৪র্থ পর্ব)

এটি মুহ্‌তারাম আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান حفظه الله কর্তৃক আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের প্রখ্যাত ইমাম- ইমাম আল বারবাহারী رحمه الله এর অনবদ্য গ্রন্থ “শারহুছ্‌ ছুন্নাহ” এর অতি চমৎকার ও মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থের অডিও ভাষান্তর। এ পর্বে শাইখ নিম্নোক্ত বিষয়াদী সম্পর্কে আলোচনা করেছেন:-
১) যে ভিত্তির উপর জামাআহ প্রতিষ্ঠিত, সেই ভিত্তি হলেন রাছূলের (صلى الله عليه وسلم) সাহাবায়ে কিরাম (رضي الله عنهم )। তারাই হলেন আহলুছ্‌ ছুন্নাহ ওয়াল জামা‘আহ। সুতরাং যে কেহ তাদের থেকে দ্বীন গ্রহণ করবে না সে-ই হবে পথভ্রষ্ট এবং বিদ‘আত অবলম্বনকারী। আর (দ্বীনের মধ্যে) প্রতিটি বিদ‘আতই হলো গোমরাহী বা ভ্রষ্টতা এবং প্রতিটি ভ্রষ্টতা ও তা অবলম্বনকারীদের গন্তব্য হলো জাহান্নাম।
২) কোন জামা‘আতের সঙ্গে আমাদের সুদৃঢ়ভাবে থাকা উচিত?
৩) জামা‘আতের ভিত্তি কি?

ড. আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম আল বারবাহারী রচিত “শারহুছ্ ছুন্নাহ (ছুন্নাতের ব্যাখ্যা)” (৩য় পর্ব)

এটি মুহ্‌তারাম আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান حفظه الله কর্তৃক আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের প্রখ্যাত ইমাম- ইমাম আল বারবাহারী رحمه الله এর অনবদ্য গ্রন্থ “শারহুছ্‌ ছুন্নাহ” এর অতি চমৎকার ও মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থের অডিও ভাষান্তর।  এ পর্বে শাইখ নিম্নোক্ত বিষয়াদী সম্পর্কে আলোচনা করেছেন:-
১) জেনে রাখুন! ইছলামই হলো ছুন্নাহ আর ছুন্নাহ্‌ই হলো ইছলাম। এ দু’টির একটি ব্যতীত অপরটি প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।
২) জামা‘আতকে আঁকড়ে ধরা হচ্ছে ছুন্নাত। যে ব্যক্তি আল জামা‘আত ব্যতীত অন্য কিছু প্রত্যাশা করে এবং জামা‘আত থেকে বিচ্ছিন্নতা অবলম্বন করে, সে যেন ইছলামের শৃঙ্খল নিজের ঘাড় থেকে ছিঁড়ে ফেলে দিল এবং সে সে নিজে পথভ্রষ্ট এবং অন্যকে পথভ্রষ্টকারীরূপে আবির্ভূত হলো।

ড. আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম আল বারবাহারী রচিত “শারহুছ্ ছুন্নাহ (ছুন্নাতের ব্যাখ্যা)” (২য় পর্ব)

এটি মুহ্‌তারাম আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান حفظه الله কর্তৃক আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের প্রখ্যাত ইমাম- ইমাম আল বারবাহারী رحمه الله এর অনবদ্য গ্রন্থ “শারহুছ্‌ ছুন্নাহ” এর অতি চমৎকার ও মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থের অডিও ভাষান্তর। এ পর্বে শাইখ নিম্নোক্ত বিষয়াদী সম্পর্কে আলোচনা করেছেন:-
১) গ্রন্থের শুরুতে ইমাম বারবাহারী প্রদত্ত খুতবাহ:- সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্‌র জন্যে, যিনি আমাদেরকে দ্বীনে ইছলামের পথপ্রদর্শন করেছেন এবং এর দ্বারা আমাদেরকে ধন্য করেছেন, আর আমাদেরকে শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে আবির্ভূত করেছেন। তাই আমরা তাঁর নিকট প্রার্থনা করছি, তিনি যেন আমাদেরকে যা কিছু তিনি পছন্দ করেন এবং যা কিছুতে তিনি সন্তুষ্ট হন সেসব কাজ করার তাওফীক্ব দান করেন এবং যা কিছু তিনি অপছন্দ করেন এবং যা কিছুতে তিনি রাগান্বিত হন সেসব বিষয় থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক্ব দান করেন।
২) কোন উপদেশ প্রদান, (দ্বীনী) কোন বিষয়ে কথা বলা কিংবা কোন বিষয়ে সতর্ক করার ক্ষেত্রে প্রথমে আলহামদুলিল্লাহ তথা আল্লাহ্‌র প্রশংসা দিয়ে শুরু করা হলো রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم এর ছুন্নাহ। ছালাফে সালিহীন (رضي الله عنهم ) এবং ‘উলামায়ে কিরামগণও তাদের গ্রন্থাবলী ক্বোরআনে কারীম অনুসরণে “বিছমিল্লাহ” বলে অতঃপর রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم  এর ছুন্নাহ অনুসরণে “আলহামদুলিল্লাহ” বলে শুরু করতেন।

ড. আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম আল বারবাহারী রচিত “শারহুছ্ ছুন্নাহ (ছুন্নাতের ব্যাখ্যা)” (১ম পর্ব)

এটি মুহ্‌তারাম আশ্‌ শাইখ সালিহ্‌ আল ফাওযান حفظه الله কর্তৃক আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের প্রখ্যাত ইমাম- ইমাম আল বারবাহারী رحمه الله এর অনবদ্য গ্রন্থ “শারহুছ্‌ ছুন্নাহ” এর অতি চমৎকার ও মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থের অডিও ভাষান্তর। এ পর্বে শাইখ নিম্নোক্ত বিষয়াদী সম্পর্কে আলোচনা করেছেন:-
১) ইমাম বারবাহারী رحمه الله এর জীবনী
২) “শারহুছ্‌ ছু্নাহ” গ্রন্থের গুরুত্ব

সব গুলো ফাতাওয়া দেখতে এখানে ক্লিক করুন

কোর্টে (‘আদালাতে) ওকালতির কাজ করতে যেয়ে একজন আইনজীবীকে কখনো মন্দের পক্ষাবলম্বন করতে হয়, মন্দকে সাহায্য করতে হয়…

অন্যায় ও মন্দকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়া অত্যন্ত খারাপ কাজ (একজন অপরাধীকে অপরাধী জানা সত্ত্বেও তার সাফাই গাওয়া চরম মিথ্যাচার ব্যতীত কিছুই নয়। অথচ মিথ্যাচার হলো অন্যতম কাবীরাহ গুনাহ)। তাই মন্দকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দানের কিংবা মিথ্যাচারের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ অবশ্যই হারাম। ক্বোরআনে কারীমে আল্লাহ سبحانه وتعالى ইরশাদ করেছেন

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close