• Usulud Deen Cover 2

ইছলামকে যথাযথভাবে অনুসরণ করাই হচ্ছে ‍দুন্‌ইয়াতে সফলতা এবং আখিরাতে মুক্তিলাভের উপায়

সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى)। সালাত ও ছালাম বর্ষিত হোক সেই নাবীর প্রতি, যার পরে আর কোন নাবী নেই এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবায়ে কিরামের (رضي الله عنهم أجمعين) প্রতি।

অতঃপর, নিশ্চয়ই আল্লাহ ইহজগত ও পরজগত; উভয় জগত সৃষ্টি করেছেন যাতে মানুষ তাঁর (আল্লাহ্‌র) সাথে অন্য কাউকে বা কোনকিছুকে অংশীদার না করে এবং একমাত্র তারই

শাসক সংশোধনের নীতি বিষয়ক ক’টি সংশয় ও তার নিরসন

আমাদের মুছলিম সমাজে কেউ কেউ মনে করে থাকেন যে, শাসকদেরকে প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করা এবং তাদের প্রতি জনসমক্ষে অনাস্থা ও অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করা, এটা হলো ছালাফে সালিহীনের (رضي الله عنهم أجمعين) নীতি ও আদর্শ। এ বিষয়ের প্রমাণস্বরূপ তারা বলে থাকেন যে, সাহাবী আবু ছা‘য়ীদ খুদরী رضي الله عنه ‘ঈদের নামাযের পূর্বে এক খুতবায় মারওয়ান বিন হাকামকে (তৎকালীন শাসক) প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এছাড়া রাছূল صلى الله عليه وسلم বলেছেন:-

إِنَّهُ يُسْتَعْمَلُ عَلَيْكُمْ أُمَرَاءُ، فَتَعْرِفُونَ وَتُنْكِرُونَ، فَمَنْ كَرِهَ فَقَدْ بَرِئَ، وَمَنْ أَنْكَرَ فَقَدْ سَلِمَ. (رواه مسلم)

মুক্ব্‌তাদীগণ সাবধান!

মুক্ব্‌তাদীগণ সাবধান!

হে সালাত আদায়কারী! আপনি জানেন কি যে, আপনি জামা‘আতে নামায আদা করছেন অথচ আপনার নামায সঠিকভাবে সম্পাদিত হচ্ছে না?

দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমাদের দেশে প্রায় প্রতিটি মাছজিদে এমন অসংখ্য মুসাল্লির দেখা মিলে, যারা ইমামের সাথে জামা‘আতে সালাত পড়তে যেয়ে ইমামের আগে আগেই উঠা, বসা, রুকূ‘, ছাজদাহ্‌ করা, তাকবীর বলা বা ছালাম ফিরানোর কাজ সেরে নেন।

পুস্তক প্রকাশনা: তিনটি মৌলনীতির ব্যাখ্যা

মূলঃ শাইখুল ইছলাম মোহাম্মাদ বিন ‘আব্দিল ওয়াহ্‌হাব (o)
ব্যাখ্যাঃ শাইখ মোহাম্মাদ বিন সালেহ আল ‘উছাইমীন (o)
অনুবাদঃ আবূ ছা‘আদা মোহাম্মাদ হাম্মাদ বিল্লাহ (c)

মূল্য মাত্র :
১৩ USD
২৫০ Taka

চারটি বিষয় সম্পর্কে শিক্ষা অর্জন করা আমাদের উপর ওয়াজিব। এগুলো হলো-

* ‘ইল্‌ম বা জ্ঞান। আর তা হলো আল্লাহ্‌কে (سبحانه وتعالى), তাঁর নাবীকে (صلى الله عليه وسلم) এবং দ্বীনে ইছলামকে দালীল-প্রমাণ সহকারে চেনা ও জানা। দ্বিতীয়টি হলো- এই ‘ইল্‌ম অনুযায়ী ‘আমাল করা। তৃতীয়টি হলো- এর প্রতি মানুষকে আহবান করা। চতুর্থটি হলো- উপরোক্ত তিনটি কাজ করতে যেয়ে আপতিত যন্ত্রণা ও দুঃখ-কষ্টে ধৈর্যধারণ করা। এ চারটি বিষয় সম্পর্কে যথাক্রমে জ্ঞানলাভ করা প্রত্যেক মুছলমানের উপর ওয়াজিব। এ কথার প্রমাণ হলো ছূরাতুল ‘আস্‌র। এ ছূরায় আল্লাহ سبحانه وتعالى ‘আস্‌র যা যুগের শপথ করে বলেছেন যে, সকল মানুষই ক্ষতির মধ্যে রয়েছে, তবে যারা এ চারটি গুণে গুণান্বিত হবে তারা উপরোক্ত ক্ষতির আওতাধীন নয়। একজন লোক যখন এ চারটি গুণে সঠিকভাবে গুণান্বিত হয়ে যাবে, তখনই সে রাব্বানিয়্যীন তথা আল্লাহ ওয়ালাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close