• Usulud Deen Cover 2

কি কি কারণে ঈমান ও ইছলাম ভঙ্গ বা বিনষ্ট হয়?

ইছলাম ভঙ্গ ও বিনষ্টকারী অনেকগুলো কারণ রয়েছে। তন্মধ্যে মৌলিক ও প্রধান দশটি কারণ হলো নিম্নরূপ:-
(১) ‘ইবাদাতে আল্লাহ্‌র সাথে শরীক বা অংশীদার নির্ধারণ করা।
এর প্রমাণ হলো আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) এ বাণী:-

وَيَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنْفَعُهُمْ وَيَقُولُونَ هَؤُلَاءِ شُفَعَاؤُنَا عِنْدَ اللَّهِ قُلْ أَتُنَبِّئُونَ اللَّهَ بِمَا لَا يَعْلَمُ فِي السَّمَاوَاتِ وَلَا فِي الْأَرْضِ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى عَمَّا يُشْرِكُونَ. (سورة يونس- ٨١)

সালাত পরিচিতি (সময় ও রাক‘আত সংখ্যা)

পাঁচ ওয়াক্ব্‌ত সালাতের সময়:-
(১) যুহ্‌র নামাযের সময়- সূর্য ঢলে যাওয়া হতে অর্থাৎ মধ্য আকাশ হতে সূর্যের পশ্চিম দিকে ঢলে যাওয়া হতে নিয়ে প্রত্যেক বস্তুর ছায়া তার সমপরিমাণ হওয়া পর্যন্ত; যতক্ষণ না ‘আসরের সময় এসে উপস্থিত হয়।

(২) ‘আস্‌র নামাযের সময়- যুহ্‌র নামাযের সময় চলে যাওয়া হতে অর্থাৎ প্রত্যেক বস্তুর ছায়া তার সমপরিমাণ হতে একটু বেড়ে যাওয়া থেকে শুরু করে দ্বিগুণ হওয়ার পরে সূর্য হলদে হয়ে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত।

(৩) মাগরিব নামাযের সময়- সূর্য ডুবার পর হতে লাল বর্ণের আভা অদৃশ্য হওয়া পর্যন্ত।

সকল নাবীর দ্বীন এবং দা‘ওয়াত কি এক ও অভিন্ন ছিল?

সকল নাবীর দ্বীন এবং দা‘ওয়াত কি এক ও অভিন্ন ছিল? হ্যাঁ, অবশ্যই সকল নাবী-রাছূলের (عليهم السلام) দ্বীন এবং তাদের দা‘ওয়াতের মূল বিষয়-বস্তু এক ও অভিন্ন ছিল। এ বিষয়ে ক্বোরআনে কারীমে আল্লাহ سبحانه وتعالى ইরশাদ করেছেন:-

وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَّسُولاً أَنِ اعْبُدُواْ اللّهَ وَاجْتَنِبُواْ الطَّاغُوتَ فَمِنْهُم مَّنْ هَدَى اللّهُ وَمِنْهُم مَّنْ حَقَّتْ عَلَيْهِ الضَّلالَةُ فَسِيرُواْ فِي الأَرْضِ فَانظُرُواْ كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الْمُكَذِّبِينَ. (سورة النحل- ٣٦)

সাহাবায়ে কিরামের (رضي الله عنهم) পারস্পরিক মান-মর্যাদা সম্পর্কে আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের ‘আক্বীদাহ কী?

সাহাবায়ে কিরামের (رضي الله عنهم أجمعين) পারস্পরিক মান-মর্যাদা সম্পর্কে আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের ‘আক্বীদাহ কী? এ বিষয়ে আহলুছ ছুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের ‘আক্বীদাহ হলো:- এই বিশ্বাস পোষণ করা যে, রাছূল এর পরে এই উম্মাতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি হলেন আবূ বাক্‌র আস্‌সিদ্দীক্ব। অতঃপর ‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব। তারপর ‘উছমান ইবনু ‘আফ্‌ফান।

ত্বাগুত কী এবং ত্বাগুতকে অস্বীকার করার অর্থ কী?

ত্বাগুত শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো:- “সীমালঙ্ঘনকারী” “পথভ্রষ্টকারী” বা “বাত্বিল উপাস্য”। শারী‘য়াতের পরিভাষায়- একমাত্র আল্লাহ سبحانه وتعالى ব্যতীত অন্য যা কিছুর উপাসনা করা হয়, সে সবকে ত্বাগুত বলা হয়।

ইছলামকে যথাযথভাবে অনুসরণ করাই হচ্ছে ‍দুন্‌ইয়াতে সফলতা এবং আখিরাতে মুক্তিলাভের উপায়

সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى)। সালাত ও ছালাম বর্ষিত হোক সেই নাবীর প্রতি, যার পরে আর কোন নাবী নেই এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবায়ে কিরামের (رضي الله عنهم أجمعين) প্রতি।

অতঃপর, নিশ্চয়ই আল্লাহ ইহজগত ও পরজগত; উভয় জগত সৃষ্টি করেছেন যাতে মানুষ তাঁর (আল্লাহ্‌র) সাথে অন্য কাউকে বা কোনকিছুকে অংশীদার না করে এবং একমাত্র তারই

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close