শিরক ও তাশবীহ, তাওহীদের পরিপন্থী

শির্‌ক ও তাশবীহের ‘আক্বীদাহ তাওহীদের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এ দু’টো থেকে আল্লাহ্‌কে (سبحانه وتعالى) পূর্ণ পবিত্র ও অতি উর্দ্ধে মনে করার নামই তাওহীদ। যদি কেউ শির্‌ক ও তাশবীহ (মানবীয় কোন গুণ আল্লাহ্‌র জন্য সাব্যস্ত করার নাম তাশবীহ) এর ‘আক্বীদাহ সহকারে আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) প্রতি ঈমান রাখে, তাহলে সে মুছলমানের ঘরে জন্ম গ্রহণ করা

সঠিক ‘আক্বীদাহ ও উহার পরিপন্থি বিষয়গুলো কি কি?

সঠিক তাওহীদী ‘আক্বীদাহ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের আবশ্যকতা। ক্বোরআনে কারীম ও রাছূলের (صلى الله عليه وسلم) ছুন্নাহ্‌তে বর্ণিত প্রমাণাদী দ্বারা একথা সুস্পষ্টরূপে প্রমাণিত যে, যাবতীয় কথা-বার্তা ও কাজ-কর্ম কেবল তখনই আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) নিকট সঠিক বলে স্বীকৃত ও গৃহীত হয়, যখন উহা বিশুদ্ধ ও সঠিক তাওহীদী (আল্লাহ سبحانه وتعالى এর একত্ববাদের)

‘ইবাদতের অর্থ কী? ‘ইবাদত বলতে কি বুঝায়?

‘ইবাদাত শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো:- চূড়ান্ত বিনয়, আনুগত্য ও বশ্যতা। শারী‘আতের পরিভাষায়:- প্রকাশ্য কিংবা গোপনীয় যতসব কথা ও কাজ আল্লাহ سبحانه وتعالى ভালোবাসেন ও পছন্দ করেন, সে সবের একটি সামষ্টিক নাম হলো ‘ইবাদাত।

‘ইবাদাতের মূলনীতি ও ‘আমাল ক্ববূল হওয়ার শর্তাবলী কি?

এটা সর্বজনজ্ঞাত বিষয় যে, সকল প্রকার ‘ইবাদাত হলো তাওক্বীফিয়্যাহ অর্থাৎ ক্বোরআন ও ছুন্নাহ নির্ভর। শারী‘আতের (ক্বোরআন ও ছুন্নাহ্‌র) মাধ্যম ব্যতীত ‘ইবাদাত সম্পর্কে জানা কারো পক্ষে সম্ভব নয়। তাই প্রতিটি মানুষকে আল্লাহ্‌র ‘ইবাদাত করতে হবে ক্বোরআনে কারীম ও রাছূলের (صلى الله عليه وسلم) ছুন্নাহ্‌তে প্রদত্ত বর্ণনা ও নির্দেশানুসারে এবং প্রতিটি ‘আমাল

তাওহীদ অর্থ কি, তাওহীদ কত প্রকার ও কি কি?

তাওহীদ শব্দের আভিধানিক অর্থ- এক করা, একক ও অদ্বিতীয় সাব্যস্ত করা, একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করা। শারী‘য়াতের পরিভাষায় তাওহীদের অর্থ হলো- আল্লাহ্‌কে (سبحانه وتعالى) তাঁর সুমহান জাত (সত্তা) সর্বসুন্দর নাম ও সিফাতে (গুণরাজি-বৈশিষ্ট্যে) এবং তাঁর অধিকার, কর্ম ও কর্তৃত্বে এক, একক ও অদ্বিতীয় ষোষণা ও সাব্যস্ত করা, এবং এসব ক্ষেত্রে নিজের কথা, কাজ

“মুহাম্মাদুর্‌ রাছূলুল্লাহ” এই শাহাদাহ তথা সাক্ষ্যের অর্থ ও তাৎপর্য কি?

“মুহাম্মাদ صلى الله عليه وسلم আল্লাহ্‌র রাছূল” এই সাক্ষ্যের প্রকৃত অর্থ হলো:- মুহাম্মাদ صلى الله عليه وسلم মানব ও জিন জাতির প্রতি আল্লাহ্‌র প্রেরিত সর্বশেষ রাছূল, যার কাছে আল্লাহ্‌র পক্ষ হতে একের পর এক বার্তা বা সংবাদ আসে। তিনি ইলাহ বা উপাস্য নন এবং উপাস্য হওয়ার কোন গুণাবলী বা যোগ্যতা তাঁর মধ্যে নেই। তিনি শুধুমাত্র আল্লাহ্‌র এক বান্দাহ এবং তাঁর প্রেরিত নাবী ও রাছূল।

শুধু মুখে “লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ” বললেই কি মুছলমান হওয়া যাবে?

“لا اله إلا الله” এই কালিমাহ্‌টি শুধু মুখে উচ্চারণ করলেই মুছলমান হওয়া যায় না, কিংবা শির্‌কমুক্ত হওয়া যায় না। মুনাফিক্বরা তাওহীদের এই বাক্য বা কালিমাহ্‌টি মুখে স্বীকার করতো,

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close