হাদীছে ক্বোদছী কাকে বলে?

আল্লাহ্‌র (0) যে বক্তব্য আল্লাহ্‌র উদ্ধৃতি দিয়ে রাছূল 1 এর নিজ ভাষ্যে বর্ণিত হয়েছে, তাকেই হাদীছে ক্বোদছী বলা হয়।

হাদীছে ক্বোদছী এবং ক্বোরআনুল কারীমের মধ্যে পার্থ্যক্য হলো এই যে, ক্বোরআনুল কারীমের শব্দ, বাক্য, বিষয়-বস্তু মোটকথা সবকিছু আল্লাহ্‌র (b) পক্ষ থেকে জিবরাঈল (k) এর মাধ্যমে রাছূল 1 এর নিকট নাযিলকৃত। এটি আল্লাহর (7) সুমহান বাণী, এর শব্দগুলো অলৌকিক ও অনুপমেয়। এর তিলাওয়াতের দ্বারা ‘ইবাদাত করা হয় এবং তা বহুল বর্ণিত ও অকাট্যভাবে প্রমাণিত। পক্ষান্তরে হাদীছে ক্বোদছীর মূল বক্তব্য তথা বিষয়-বস্তু আল্লাহ্‌র পক্ষ হতে নাযিলকৃত, তবে এর শব্দ ও বাক্যগুলো অলৌকিক ও অনুপমেয় নয়। এগুলো হলো রাছূল 1 এর চয়নকৃত, অর্থাৎ আল্লাহ্‌র (b) বক্তব্য, রাছূলের (1) নিজ ভাষায় বর্ণিত বা উদ্ধৃত। হাদীছে ক্বোদছী পাঠের দ্বারা ‘ইবাদাত করা হয় না এবং তা বহুল ও অকাট্যভাবে প্রমাণিত হওয়া শর্ত নয়। হাদীছের বিশাল ভান্ডারে প্রায় শতাধিক হাদীছে ক্বোদছী বর্ণিত রয়েছে। যেমন- সাহীহ্‌ মুছলিমে আবূ যার্‌ আল গিফারী 3 থেকে বর্ণিত, রাছূলুল্লাহ 1 বলেছেন যে, আল্লাহ 0 ইরশাদ করেছেন:-

يَا عِبَادِي إِنِّي حَرَّمْتُ الظُّلْمَ عَلَى نَفْسِي، وَجَعَلْتُهُ بَيْنَكُمْ مُحَرَّمًا، فَلَا تَظَالَمُوا.رواه مسلم

অর্থ- হে আমার বান্দাহগণ! আমি আমার নিজের জন্য যুল্‌মকে নিষিদ্ধ করে দিয়েছি এবং এটাকে তোমাদের মধ্যেও হারাম সাব্যস্ত করে দিয়েছি, অতএব তোমরা এক অপরের প্রতি যুল্‌ম করো না।সাহীহ্‌ মুছলিম

 

সূত্র:- আশ শাইখ ‘আব্দুল কারীম মুরাদ c ও আশ শাইখ ‘আব্দুল মুহছিন আল ‘আব্বাদ c সংকলিত পুস্তিকা “মিন আত্বইয়াবিল মানহি ফী ‘ইলমিল মুসতালাহ” – মাদীনা ইছলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনী।


১. رواه مسلم 
২. সাহীহ্‌ মুছলিম 

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close