সব গুলো প্রবন্ধ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

সৌদী ‘আরাবের প্রধান মুফতি ‘আল্লামা আশ্‌ শাইখ বিন বায (رحمه الله)

‘আল্লামা আশ্‌শাইখ ‘আব্দুল ‘আযীয ইবনু ‘আব্দিল্লাহ ইবনু বায رحمه الله ছিলেন সারা বিশ্বে সুপরিচিত এক ইছলামী ব্যক্তিত্ব। অসাধারণ জ্ঞান, অনন্য প্রজ্ঞা, পরিপূর্ণ ইখলাস ও আল্লাহ ভীতি, ছুন্নাতে রাছূলের অকৃত্রিম অনুসরণ, চমৎকার আচার-ব্যবহার, উন্নত মানবীয় গুণাবলী ও চরিত্রের অধিকারী, শির্‌ক, কুফ্‌র ও বিদ‘আতের বিরুদ্ধে আপোষহীন, তাওহীদ

শিরক ও তাশবীহ, তাওহীদের পরিপন্থী

শির্‌ক ও তাশবীহের ‘আক্বীদাহ তাওহীদের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এ দু’টো থেকে আল্লাহ্‌কে (سبحانه وتعالى) পূর্ণ পবিত্র ও অতি উর্দ্ধে মনে করার নামই তাওহীদ। যদি কেউ শির্‌ক ও তাশবীহ (মানবীয় কোন গুণ আল্লাহ্‌র জন্য সাব্যস্ত করার নাম তাশবীহ) এর ‘আক্বীদাহ সহকারে আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) প্রতি ঈমান রাখে, তাহলে সে মুছলমানের ঘরে জন্ম গ্রহণ করা

সব গুলো অডিও শুনতে এখানে ক্লিক করুন

করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ইছলামিক দৃষ্টিভঙ্গি (৬ষ্ঠ পর্ব)

ফিক্বহের একটি উসূল রয়েছে যে, সন্দেহের দ্বারা সুনিশ্চিত কোনো বিষয়কে প্রতিহত করা যায় না। তাই কে এই ভাইরাসে আক্রান্ত বা কে আক্রান্ত নয়, এই সন্দেহের জন্য ওয়াজিব জুমু’আর সালাত ছাড়া উচিত হবে না। নতুবা কেবলমাত্র WHO এর নির্দেশনার ভিত্তিতে আমরা যদি দ্বীনী সিদ্ধান্ত নিতে থাকি, তবে একসময় দেখা যাবে যে, দ্বীনে ইছলামের আর কোনো কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।
১) আমাদের তরফ থেকে সরকারের প্রতি এতটুকু বলতে পারি যে, তারা চাইলে নিম্নোক্ত রুলগুলো জারি করতে পারে। সেগুলো হলো-

ক) কারো মধ্যে যদি এই COVID-19 এর উপসর্গ সামান্য মাত্রায়ও বিদ্যমান থাকে, তবে সে অবশ্যই মাছজিদে আসবে না।
খ) মাছজিদকে যথাযথভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে এই রুল জারি করতে পারে যে, মাছজিদ কমিটি বা এলাকার জনগণ নিজ

করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ইছলামিক দৃষ্টিভঙ্গি (৫ম পর্ব)

১) গত পর্বে আবূ ‘উবাইদাহ ইবনুল জার্‌রাহ رضي الله عنه ও মু’আয ইবনু জাবাল رضي الله عنه এর সম্পর্কে বর্ণিত হাদীছটি কয়েকজন রাওয়ী থেকে মুছনাদে আহ্‌মাদে বর্ণিত হয়েছে। এই হাদীছটিকে অনেকে য‘য়ীফ বললেও এর একাধিক ছনদ বিদ্যমান থাকায় এই হাদীছটিকে হাছান লি-গায়রিহী বলা যায়। তাই এই বর্ণনাটিকে গ্রহণযোগ্য বলা যায়।
এই হাদীছ থেকে জানা যায় যে, এই ত্বা‘ঊনের মধ্যেও তারা জামা‘আতে সালাত আদায় করেছেন এবং জুমু‘আর খুতবা দিয়েছেন।
২) ফার্‌য সালাত জামা‘আতে আদায় করার হুকুম কি?
‘আবুল্লাহ ইবনু ‘উমার رضي الله عنه থেকে বর্ণিত, রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন- ঘরে একাকি সালাত আদায় করার চেয়ে মাছজিদে সালাত আদায় করলে সাতাশ গুণ বেশি ছাওয়াব লাভ করা যায়। (সাহীহ্‌ বুখারী ও সাহীহ্‌ মুছলিম)
ফার্‌য সালাত জামা‘আতে আদায়ের হুক্‌ম সম্পর্কে ‘উলামায়ে কিরামের ভিন্ন ভিন্ন মত পরিলক্ষিত হয়। যেমন-

করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ইছলামিক দৃষ্টিভঙ্গি (৪র্থ পর্ব)

১) শামে যখন তা’উন দেখা দেয়, তখন আবূ উবাইদাহ ইবনে জাররাহxرضي الله عنه ও মু’আয ইবনে জাবাল رضي الله عنه আল্লাহ এর কাছে প্রার্থনা করে যে, যেনো এই তা’উনের মধ্যে তাদের একটা অংশ রাখা হয়। এই রকম দু’আ
করে কি রোগ কামনা করা জায়েয আছে? এবং, এই তা’উনের মধ্যেও উনারা জামা’আতে সালাত আদায় করেছেন এবং, জুমু’আর খুতবা দিয়েছেন।
রাছূল صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তোমরা তোমাদের সন্তানের উপর, নিজের সম্পদের উপর এবং,নিজের উপরে নিজে বদ দূ’আ করোনা। কারণ, হয়তো এমন একটা সময়ে এই বদ দু’আ গুলো তোমরা করবে যে, যে সময়টা হবে
দু’আ ক্ববুলের মুহূর্ত এবং, তা আল্লাহ سبحانه وتعالى এর কাছে ক্ববুল হয়ে যাবে। (মুছলিম)

করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ইছলামিক দৃষ্টিভঙ্গি (৩য় পর্ব)

১) এই মহামারীর সময় আমাদের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা কি হওয়া উচিত?
এই মুহূর্তে অমুছলীমরা তো বটেই, এমনকি হয়তো ৭০% মুছলীমও ভ্যাক্সিনের আশায় বসে আছে। এটি একটি আক্বিদা পরিপন্থী বিষয়। অথচ, ১০০% মুছলীমের এই প্রত্যাশাই হওয়া উচিত যে, কখন তাঁর রবের রাহমাতের দরজা খুলবে এবং, তিনি আমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন অতঃপর তাঁর এই আযাব আমাদের থেকে উঠিয়ে নেবেন। আল্লাহ سبحانه وتعالى কুরআনে কারীমে বলেন, وَ اِنۡ یَّمۡسَسۡکَ اللّٰہُ بِضُرٍّ فَلَا کَاشِفَ لَہٗۤ اِلَّا ہُوَ অর্থঃ আল্লাহ তোমার কোন ক্ষতি করতে চাইলে তিনি ছাড়া কেউ তা সরাতে পারবে না। (আন’আমঃ১৭)
২) হাদীছ থেকে জানা যায় যে, আল্লাহ سبحانه وتعالى এই তা’উন সর্বপ্রথম বানী ইসরাইল এর উপর প্রেরণ করেছিলেন। তারই একটা অংশ তিনি এই পৃথিবীতে

সব গুলো ইবুক দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) সুমহান নাম ও গুণাবলী বিষয়ে আহলুছ্‌ ছুন্নাহ্‌ ওয়াল জামা‘আতের ‘আক্বীদাহ্‌-বিশ্বাস, নীতি ও আদর্শ

আহ্‌লুছ ছুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের ইমামগণ সকলেই এ বিষয়ে একমত যে, ক্বোরআনে কারীম এবং রাছূলুল্লাহ سبحانه وتعالى এর বিশুদ্ধ ছুন্নাহ্‌তে আল্লাহ্‌র যে সকল সুন্দর নাম যেভাবে বর্ণিত রয়েছে, কেবলমাত্র সেগুলোকে সেভাবেই আল্লাহ্‌র নাম বলে বিশ্বাস ও স্বীকার করতে হবে। তাতে কোনরূপ সংযোজন, বিয়োজন, পরিবর্তন কিংবা পরিবর্ধন করা যাবে না। কেননা

পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close