• Live class

    Topic: Lum’atul I’tiqad of Imam Ibn Qudamah (Class # 80)
    Speaker: Shaykh Mohammad Hammad Billaah حفظه الله
    (Shaykh Mohammad Hammad Billaah is a Renowned Salafi Da'ee & an Islaamic Scholar of Bangladesh)
    Date: Sunday, January 15, 2023
    Time: 10:30 AM (New York), 9:30 PM (Bangladesh), 9:00 PM (India) & 3:30 PM (UK), إن شاء الله 
    Listen LIVE:
    Click Here

    2

করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ইছলামিক দৃষ্টিভঙ্গি (৩য় পর্ব)

১) এই মহামারীর সময় আমাদের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা কি হওয়া উচিত?
এই মুহূর্তে অমুছলীমরা তো বটেই, এমনকি হয়তো ৭০% মুছলীমও ভ্যাক্সিনের আশায় বসে আছে। এটি একটি আক্বিদা পরিপন্থী বিষয়। অথচ, ১০০% মুছলীমের এই প্রত্যাশাই হওয়া উচিত যে, কখন তাঁর রবের রাহমাতের দরজা খুলবে এবং, তিনি আমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন অতঃপর তাঁর এই আযাব আমাদের থেকে উঠিয়ে নেবেন। আল্লাহ سبحانه وتعالى কুরআনে কারীমে বলেন, وَ اِنۡ یَّمۡسَسۡکَ اللّٰہُ بِضُرٍّ فَلَا کَاشِفَ لَہٗۤ اِلَّا ہُوَ অর্থঃ আল্লাহ তোমার কোন ক্ষতি করতে চাইলে তিনি ছাড়া কেউ তা সরাতে পারবে না। (আন’আমঃ১৭)
২) হাদীছ থেকে জানা যায় যে, আল্লাহ سبحانه وتعالى এই তা’উন সর্বপ্রথম বানী ইসরাইল এর উপর প্রেরণ করেছিলেন। তারই একটা অংশ তিনি এই পৃথিবীতে

করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ইছলামিক দৃষ্টিভঙ্গি (২য় পর্ব)

১) এই রোগে আক্রান্ত হয়ে গেলে আমাদের কী করা উচিৎ?

ক) যদি কেউ আক্রান্ত হয়ে যায়, তবে তাঁর উচিৎ হবে এটাকে আল্লাহ এর ফায়সালা হিসেবে মেনে নেয়া।
খ) যদি এর ফলে কোনও মুমীন মৃত্যুবরণ করে, তবে এই তা’উন হচ্ছে তাঁর জন্য রাহমাহ। কারণ, তা’উন হচ্ছে প্রকৃত মুছলিমদের জন্য শাহাদাত স্বরূপ।
গ) কেউ যদি তা’উন আক্রান্ত এলাকা থেকে পলায়ন করে, তবে সে হবে যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়নকারীর ন্যায়।
ঘ) তা’উন আক্রান্ত এলাকা থেকে কারো বের হওয়া উচিৎ নয়। এবং, আক্রান্ত এলাকায় কারো প্রবেশ করাও উচিৎ নয়।

করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ইছলামিক দৃষ্টিভঙ্গি (১ম পর্ব)

১) তা’উন শব্দের অর্থ কি?
আরবীতে দুইটি বিষয় আছে। একটি হচ্ছে আল-ওয়াবা এবং, আরেকটি হচ্ছে আত-তা’উন। এখানে ওয়াবা থেকে তা’উন হচ্ছে অনেকবেশী মারাত্মক ও বিপর্যয় সৃষ্টিকারী। তা’উনে মানুষের মৃত্যুহারও অনেক
বেশী থাকে। এটি দ্রুত বিস্তার লাভ করে।
আল-ওয়াবাও একধরনের সংক্রামক ও মহামারী। কিন্তু, এতে মৃত্যুহার থাকে অনেক কম। এবং, এটি নিয়ন্ত্রনে থাকে।
আবূ হুরাইরাহ رضي الله عنه বর্ণিত, রাছূল صلى الله عليه وسلم বলেন, সংক্রামক ব্যধি বলতে কিছু নেই। (মুত্তাফাকুন আলাইহি)

আল ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ্‌ আল ‘উছাইমীন কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত আল ইমাম ইবনু ক্বোদামাহ আল মাক্বদিছী রচিত -‘আক্বীদাহ সংকলন- গ্রন্থ (৫১তম পর্ব)

এই অডিওটি আশ্‌শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ্ আল ‘উছাইমীন رحمه الله কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম ইবনু ক্বোদামাহ আল মাক্বদিছী رحمه الله এর সুপ্রসিদ্ধ গ্রন্থ “লুম‘আতুল ই‘তিক্বাদ”এর ধারাবাহিক অডিও ভাষান্তর। বাংলা ভাষায় অডিওরূপে এটি ভাষান্তর করেছেন উছ্‌তায আবূ ছা‘আদা হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله। এতে ছালাফে সালিহীনের (رضي الله عنهم) আক্বীদাহ-বিশ্বাসের বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। আহলুছ্ ছুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের ‘উলামায়ে কিরামের চিরাচরিত স্বভাব–বৈশিষ্ট্যও হলো যে, তারা তাদের লিখনীর মাধ্যমে সর্বাগ্রে বিশুদ্ধ ইছলামী ‘আক্বীদাহ সংরক্ষণ এবং তা প্রচার ও প্রসার করে থাকেন। বক্তব্যের এ পর্বেও উছতায হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله “হিছাব”সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। আলোচনার সারসংক্ষেপ নিম্নরূপঃ
১) ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ سبحانه وتعالى স্বীয় বান্দাহদের থেকে তাদের প্রত্যেকটি কৃতকর্মের হিসাব নিবেন। একজন মূমিন-মুছলিমের আপন জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য এই “হিছাবের” উপরে বিশ্বাস থাকাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরকালের হিসাবের বিষয়কে অস্বীকার করলে ব্যক্তি মূমীন বলে গণ্য হবে না। যেমন, ক্বোরআনে কারীমে আল্লাহ سبحانه وتعالى ইরশাদ করেছেন- اِنَّ اِلَیۡنَاۤ اِیَابَہُمۡ ثُمَّ اِنَّ عَلَیۡنَا حِسَابَہُمۡ
অর্থাৎ- তাদের প্রত্যাবর্তন আমারই দিকে। অতঃপর তাদের হিসাব নেয়া তো আমারই কাজ। (ছূরা আল গা-শিয়াহ- ২৫-২৬)

আল ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ্‌ আল ‘উছাইমীন কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত আল ইমাম ইবনু ক্বোদামাহ আল মাক্বদিছী রচিত -‘আক্বীদাহ সংকলন- গ্রন্থ (৫০তম পর্ব)

এই অডিওটি আশ্‌শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ্ আল ‘উছাইমীন رحمه الله কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম ইবনু ক্বোদামাহ আল মাক্বদিছী رحمه الله এর সুপ্রসিদ্ধ গ্রন্থ “লুম‘আতুল ই‘তিক্বাদ”এর ধারাবাহিক অডিও ভাষান্তর। বাংলা ভাষায় অডিওরূপে এটি ভাষান্তর করেছেন উছ্‌তায আবূ ছা‘আদা হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله। এতে ছালাফে সালিহীনের (رضي الله عنهم) আক্বীদাহ-বিশ্বাসের বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। আহলুছ্ ছুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের ‘উলামায়ে কিরামের চিরাচরিত স্বভাব–বৈশিষ্ট্যও হলো যে, তারা তাদের লিখনীর মাধ্যমে সর্বাগ্রে বিশুদ্ধ ইছলামী ‘আক্বীদাহ সংরক্ষণ এবং তা প্রচার ও প্রসার করে থাকেন। বক্তব্যের এ পর্বে উছতায হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله “হিছাব” সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। আলোচনার সারসংক্ষেপ নিম্নরূপঃ
১) “হিছাব” বিষয়ে ইমাম ইবনু ক্বোদামাহ رحمه الله বলেছেন- আল্লাহ سبحانه وتعالى মানুষের হিসাব নিবেন, মীযান ক্বায়িম করা হবে, মানুষের নামায়ে ‘আমালগুলো খুলে দেওয়া হবে। যেমন- ক্বোরআনে কারীমে আল্লাহ سبحانه وتعالى ইরশাদ করেছেন-

فَاَمَّا مَنۡ اُوۡتِیَ کِتٰبَہٗ بِیَمِیۡنِہٖ فَسَوۡفَ یُحَاسَبُ حِسَابًا یَّسِیۡرًا وَّ یَنۡقَلِبُ اِلٰۤی اَہۡلِہٖ مَسۡرُوۡرًا وَ اَمَّا مَنۡ اُوۡتِیَ کِتٰبَہٗ وَرَآءَ ظَہۡرِہٖ فَسَوۡفَ یَدۡعُوۡا ثُبُوۡرًا وَّ یَصۡلٰی سَعِیۡرًا

অর্থাৎ- অতঃপর যার ‘আমালনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে, অচিরেই তার হিসাব সহজভাবে নেয়া হবে। আর সে তার স্বজনদের কাছে সানন্দে ফিরে যাবে। আর যাকে তার আমালনামা তার পিঠের পিছন দিক থেকে দেয়া হবে

করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ইছলামিক দৃষ্টিভঙ্গি

ধারাবাহিক এই অডিও বক্তব্যগুলো উছতায হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله একটি ধারাবাহিক অডিও বক্তব্য। ‘আরবীতে দু’টি বিষয় আছে- একটি হচ্ছে আল-ওয়াবা, আরেকটি হচ্ছে আত্ব-ত্বা’ঊন। ওয়াবা থেকে ত্বা’ঊন আরো মারাত্মক ও বিপর্যয় সৃষ্টিকারী।

ক্বোরআনের তাফছীর (৯ম পর্ব)

এটি উছতায আবূ ছা‘আদা হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত একটি ধারাবাহিক অডিও বক্তব্য। উক্ত ধারাবাহিক বক্তব্যে উছতায পবিত্র ক্বোরআনের ছূরা সমূহের তাফছীর প্রদান করবেন, ইন-শা-আল্লাহ, إن شاء الله।
ধারাবাহিক বক্তব্যে নিম্নোক্ত বইসমূহ উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে-

ক) আল ‘আল্লামা ‘আব্দুল্লাহ আছ্‌ ছা‘দী رحمه الله রচিত এবং শাইখ সালিহ্‌ আল ‘উছাইমীন رحمه الله কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত আত-তা‘লীক্ব ‘আলাল ক্বাওা‘য়ীদ আল-হিছান।
খ) আল ‘আল্লামা মুহাম্মাদ ‘আলী আস্‌ সাবূনী رحمه الله রচিত আত্‌ তিবয়ান ফী ‘উলূমিল ক্বোরআন।
গ) আল-‘আল্লামা ছুয়ূতী رحمه الله রচিত আল-ইতক্বান।
এছাড়াও ছালাফদের রচিত আরো কিছু কিতাব থেকে সারাংশ উপস্থাপন করা হবে, إن شاء الله।।
বক্তব্যের এ পর্বে উছতায নিম্নোক্ত বিষয়গুলো আলোচনা করেছেন-

১) بِسۡمِ اللہِ বা তাছমিয়াহ সম্পর্কে রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন- কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ যদি তাছমিয়াহ তথা বিছমিল্লাহ দ্বারা শুরু করা না হয়, তবে সেই কাজ হবে লেজকাটা ও বারাকাতহীন।
তাছমিয়ার গুরুত্ব বুঝার জন্য রাছূলুল্লাহ্র (صلى الله عليه وسلم) এই হাদীছটিই যথেষ্ট। কিছু কিছু কাজ রয়েছে, যেগুলোর শুরুতে তাছমিয়াহ পাঠ করা

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close