• Usulud Deen Cover 2

যাকাত প্রদানের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, এমন অনেক ফক্বীর-মিছকীনকে যাকাত দেয়া হয় যারা তাওহীদ…

যাকাত দিতে হবে এমনসব মুছলমান ফক্বীরদের, যারা সঠিক তাওহীদের উপরে এবং সরল ‘আক্বীদাহ-বিশ্বাসের উপরে অনঢ় ও অবিচল আছে। যে ব্যক্তি সঠিক তাওহীদী ‘আক্বীদাহ-বিশ্বাসের বিপরীত কাজকর্মে বা শির্‌কে আকবারে লিপ্ত, যেমন- যারা মৃতদের নিকট সাহায্য কামনা করে, তাদের (মৃতদের) উদ্দেশ্যে নযর-মানত করে, বারাকাত লাভের

আমাদের সমাজে অনেকেই সালাতে দাঁড়িয়ে ক্বিবলামুখী হয়ে তাকবীরে তাহ্‌রীমাহ বলার আগেই এই বাক্যগুলো…

উক্ত যিক্‌রটি তাকবীরে তাহ্‌রীমাহ্‌র আগে নয়, পরে পাঠ করা মুছতাহাব্ব। এটি সালাতের প্রারম্ভিক বা সালাত আরম্ভ করার যিক্‌র হিসেবে রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم হতে বর্ণিত রয়েছে। ‘আলী رضي الله عنه হতে বর্ণিত যে, রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم মাঝে মধ্যে সালাতে দাঁড়িয়ে তাকবীরে তাহ্‌রীমাহ বলার পর-

“وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيفًا، وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ، إِنَّ صَلَاتِي، وَنُسُكِي، وَمَحْيَايَ، وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ، لَا شَرِيكَ لَهُ، وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ”

যে ব্যক্তি তাবিয লিখে এবং সে যদি কোন মাছজিদের ইমাম হয়ে থাকে, তাহলে তার পিছনে সালাত আদা করা জায়িয হবে কি?

যেহেতু তাবিয-কবচ ঝুলানো জায়িয নয়, তাই তাবিয লিখাও উচিত নয়। তবে হ্যাঁ, যদি কেউ ক্বোরআনে কারীমের আয়াত দ্বারা কিংবা শারী‘য়াত সম্মত দু‘আ দ্বারা তাবিয লিখে থাকে, তাহলে তার পিছনে সালাত পড়া জায়িয হবে। আর যে ব্যক্তি শির্‌কী বিষয়াদী সম্বলিত তাবিয লিখে থাকে, তার পিছনে সালাত আদা করা যাবে না। শুধু তাই নয় বরং যিনি

ক্বোরবানীর তাৎপর্য ও বিধান

আল্লাহ্‌র (سبحانه وتعالى) নৈকট্য ও সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য প্রায় সকল উম্মাতের মধ্যেই ক্বোরবানীর প্রচলন ছিল। এটা আগেকার নাবীগণেরও ছুন্নাত ছিল। ক্বোরআনে কারীমে আল্লাহ (سبحانه وتعالى) ইরশাদ করেছেন:-

وَلِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنسَكًا لِيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَى مَا رَزَقَهُم مِّن بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ

হাজ্জ ও ‘উমরাহ্‌ পালনের ছুন্নাহ্‌সম্মত পদ্ধতি

আপনি যদি হাজ্জ সম্পাদন করতে চান এবং সে উদ্দেশ্যে হাজ্জের মাস সমূহের মধ্যে মীক্বাতে (যেখান থেকে হাজ্জের ইহ্‌রাম বাঁধা হয় সে স্থানে) পৌঁছে যান, তাহলে আপনি তিন প্রকারের যে কোন এক প্রকার হাজ্জ পালন করতে পারেন। এই তিন প্রকার হাজ্জ হলো যথা:-

১। হাজ্জে তামাত্তু‘। আর এটাই হলো সবচেয়ে উত্তম। হাজ্জে তামাত্তু‘ হলো- আপনি যদি আপনার সাথে ক্বোরবানীর পশু না নিয়ে যান এবং আপনার হাতে যদি হাজ্জের জন্য পর্যাপ্ত সময়

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close