কিভাবে তাক্বওয়া অর্জন করা যায় (২য় পর্ব)

এটি তাক্বওয়া অর্জন করা বিষয়ে শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত অতি গুরুত্বপূর্ণ্ ধারাবাহিক ভাষণেরই একটি অংশ। এতে তিনি শ্রোতাদেরকে তাক্বওয়া অবলম্বনের আহবান জানিয়েছেন। বক্তব্যে উল্লেখিত মূল বিষয়গুলো হলো:-
১) আল্লাহ্‌র রুবূবিয়্যাহ এবং আল্লাহ্‌র ‘উবূদিয়্যাহ্‌র মধ্যে যোগসম্পর্ক।
২) আল্লাহ্‌র রুবূবিয়্যাহ, উলূহিয়্যাহ ও তাঁর আছমা ওয়াস সিফাতের মধ্যে যোগসম্পর্ক।
৩) যে সকল লোক রুবূবিয়্যাহ ও উলূহিয়্যাহ্‌‌তে আল্লাহ্‌র এককত্ব স্বীকার করা সত্বেও শাহজালাল, শাহপরান প্রমুখ অলী বা পীর-দরবেশের ক্ববরে তাদের নিকট প্রার্থনা করতে যায়, তারা জঘন্য শির্‌কে লিপ্ত। শাইখ তাদের সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন।
৪) তাওহীদের (তাওহীদুর রুবূবিয়্যাহ, উলূহিয়্যাহ এবং আছমা ও সিফাত-এর) বাস্তবায়ন তিনভাবে করতে হবে। তাহলেই প্রকৃত অর্থে মু’মিন-মুছলিম হওয়া যাবে।

কিভাবে তাক্বওয়া অর্জন করা যায় (১ম পর্ব)

এটি তাক্বওয়া অর্জন করা বিষয়ে শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত অতি গুরুত্বপূর্ণ্ ধারাবাহিক ভাষণের একটি অংশ। এতে তিনি শ্রোতাদেরকে তাক্বওয়া অবলম্বনের আহবান জানিয়েছেন। বক্তব্যে উল্লেখিত মূল বিষয়গুলো:-
১) কিভাবে তাক্বওয়া অর্জন করা যায়? তাক্বওয়া অর্জনের উপায়্ ও পদ্ধতি।
২) আমরা কিভাবে নিজেদের অন্তরে তাক্বওয়া প্রতিষ্ঠিত করব?
৩) তাক্বওয়া অর্জন করতে হলে অবশ্যই আল্লাহ-কে (سبحانه وتعالى) জানতে হবে; আল্লাহ্‌র পরিচয় লাভ করতে হবে। কোন বস্তু বা কোন ব্যক্তি সম্পর্কে জানা না থাকলে তাকে ভয় করবে কিভাবে? কোন কিছুকে ভয় করতে হলে অবশ্যই সে বস্তু বা ব্যক্তি সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে।
৪) আল্লাহ عز وجل সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করতে হলে ক্বোরআন ও ছুন্নাহ অধ্যয়ন করতে হবে এবং মহান আল্লাহ্‌র সৃষ্টি সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করতে হবে। শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله তাঁর এই ভাষণে শ্রোতাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করার আহবান জানিয়েছেন। কারণ, যারা যত বেশি আল্লাহ্কে জানবে তাঁর পরিচয় লাভ করবে, তারা ততো বেশি আল্লাহ্‌কে ভয় করবে।

পরহেযগারী/আল্লাহভীতি বা তাক্বওয়া

এটি তাক্বওয়া বিষয়ে শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাষণ। আল্লাহ سبحانه وتعالى ঈমানদারগণকে নির্দেশ দিয়েছেন তারা যেন তাক্বওয়া অবলম্বন করে এবং মুছলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ না করে। অত্র ভাষণে শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله ইছলামের উপর অটল ও অবিচল থাকার এবং সবসময় তাক্বওয়া অবলম্বন করে চলার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তিনি সকল মুছলমানকে এবং বিশেষভাবে যারা তার এই ভাষণ শুনছেন তাদেরকে সবসময় তাক্বওয়া তথা আল্লাহভীতি অবলম্বন করে চলার আহবান জানিয়েছেন।

রামাযানের সাথে তাক্বওয়ার সম্পর্ক

এটি রামাযান বিষয়ে উছতায হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাষণ। এতে তিনি বলেছেন যে, মাহে রামাযান হলো ঈমান বৃদ্ধি এবং তাক্বওয়া অর্জনের এক বিশেষ মাস। কেননা এ মাসে শাইত্বানগুলো বন্দি থাকে। শাইখ হাম্মাদ তাঁর এই ভাষণে রামাযান মাসে তাক্বওয়া অর্জনের বিভিন্ন পন্থা ও উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন- তাক্বওয়া অর্জনের জন্য সহায়ক বিশেষ কিছু বিষয় হলো, যথা:- ক্বিয়ামুল লাইল, তিলাওয়াতুল ক্বোরআন এবং আল্লাহ্‌র যিক্‌র। এছাড়াও শারী‘য়াত নির্দেশিত আরো অন্যান্য পন্থায় একজন মানুষ তাক্বাওয়া অর্জন করতে পারে। 

মু’মিনদের জন্য তাক্বওয়ার গুরুত্ব

এটি তাক্বওয়া বিষয়ে শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাষণ। এতে তিনি বলেছেন যে, প্রত্যেক মুছলমানের জন্য তাক্বওয়া অবলম্বন করা অত্যাবশ্যক। তাক্বওয়াই মানুষকে সফলতার দিকে নিয়ে যায়। আল্লাহ سبحانه وتعالى মু’মিনগণকে তাক্বওয়া অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন। তাই প্রত্যেক মু’মিনকে তাক্বওয়ার গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা ও তাৎপর্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করতে হবে। তাক্বওয়া অনুশীলন করতে হবে। তাক্বওয়ার মূল কথা হলো আল্লাহ্‌র ‘আযাব ও গযবের পথে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা। আর এই নিরাপত্তা বলয় হলো আল্লাহ্‌র আদেশ ও নির্দেশসমূহ পালনের মাধ্যমে তাঁর ‘আযাব থেকে বেঁচে থাকা।

সমাজ সংস্কারে তাক্বওয়ার ভূমিকা

এটি তাক্বওয়া বিষয়ে শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাষণ। এতে তিনি তাক্বওয়া এবং সমাজে এর প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তাক্বওয়া শব্দের শাব্দিক অর্থ হলো ভীতি এবং বিরত থাকা। তবে শারী‘য়াতের পরিভাষায় তাক্বওয়ার এক বিশেষ অর্থ রয়েছে, আর তা হলো- অন্তরের এমন এক উচ্চ অবস্থা যা মানুষকে এই মর্মে সচেতন করে রাখে যে, আল্লাহ عز وجل জানেন এবং সদা-সর্বদা সবকিছু দেখছেন। তিনি প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সকল বিষয়েই পুরোপুরি অবগত এবং সবকিছুই তিনি প্রত্যক্ষ করছেন। আর এই বোধ ও উপলব্ধি সবসময় ভালো কাজ করতে এবং মন্দ ও নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকতে ব্যক্তিকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করে। তাক্বওয়ার প্রভাব যেমন ব্যক্তির উপর হয় তেমনি সমাজের উপরও হয়ে থাকে।

‘ইল্‌ম বা জ্ঞান বিষয়ক ধারাবাহিক বক্তব্য (৭ম পর্ব)

ধারাবাহিক এই অডিও বক্তব্যগুলো শাইখ হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত ‘ইল্‌ম বা জ্ঞান বিষয়ে অত্যন্ত মূল্যবান ও অসাধারণ ক’টি বক্তব্য। এতে তিনি ইমাম ছুফইয়ান ছাওরী, ইমাম শাফি‘য়ী, ইমাম যুহরী, ইমাম ফুযাইল ইবনু ‘ইয়ায, ইমাম ইবনু ‘আব্দিল বার্‌, ইমাম সালিহ্‌ আল ‘উছাইমীন (رضي الله عنهم) প্রমুখ হাক্বানী ‘উলামায়ে কিরামের বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে অত্যন্ত জ্ঞানগর্ব আলোচনা করেছেন। ধারাবাহিক এসব বক্তব্যে তিনি বিশেষভাবে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো আলোচনা করেছেন:-
১) ধারাবাহিক আলোচনার এই পর্বে প্রকৃত ‘উলামা করা, ‘উলামাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত, আমাদের নিকট তাদের অধিকার বা প্রাপ্য এবং তাদের নিকট আমাদের অধিকার বা প্রাপ্য কী, কাদের থেকে জ্ঞান নেয়া যাবে এবং কাদের থেকে জ্ঞান নেয়া যাবে না, এসব বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close