আল ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ্‌ আল ‘উছাইমীন কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত আল ইমাম ইবনু ক্বোদামাহ আল মাক্বদিছী রচিত -‘আক্বীদাহ সংকলন- গ্রন্থ (৩৬তম পর্ব)

এই অডিওটি হলো আশ্‌শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ্‌ আল ‘উছাইমীন o কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম ইবনু ক্বোদামাহ আল মাক্বদিছী o এর সুপ্রসিদ্ধ গ্রন্থ “লুম‘আতুল ই‘তিক্বাদ” এর ধারাবাহিক অডিও ভাষান্তর। বাংলা ভাষায় অডিওরূপে এটি ভাষান্তর করেছেন উছতায হাম্মাদ বিল্লাহ c। এতে ছালাফে সালিহীনের (4) ‘আক্বীদাহ-বিশ্বাসের বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। আহলুছ্‌ ছুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের ‘উলামায়ে কিরামের চিরাচরিত স্বভাব–বৈশিষ্ট্যও হলো যে, তারা তাদের লিখনীর মাধ্যমে সর্বাগ্রে বিশুদ্ধ ইছলামী ‘আক্বীদাহ্‌র সংরক্ষণ এবং তা প্রচার ও প্রসার করে থাকেন। বক্তব্যের এ পর্বে উছতায হাম্মাদ বিল্লাহ c বিশেষ করে ক্বাযা ও ক্বাদ্‌র সহ নিম্নোক্ত বিষয়ে আলোচনা করেছেন:-
১) বিশুদ্ধ সূত্রে রাছূলুল্লাহ 1 থেকে যা কিছু বর্ণিত রয়েছে সেসব কিছুকে সত্য বলে বিশ্বাস করা আমাদের জন্য অত্যাবশ্যক।
২) রাছূলুল্লাহ 1 থেকে যা কিছু বর্ণিত রয়েছে তার বাহ্যিক প্রকৃত অর্থের বাহিরে ভিন্ন কোন অর্থ তালাশ করা উচিত নয়। যেমন ইছ্‌রা ও মি‘রাজ বিষয়ক হাদীছ। আমাদের জন্য আবশ্যক হলো এতদ্বিষয়ে রাছূলুল্লাহ 5 থেকে বিশুদ্ধ হাদীছে যা বর্ণিত রয়েছে তার বাহ্যিক প্রকৃত অর্থের অতিরিক্ত কিছু না বলা এবং যতটুকু বর্ণিত রয়েছে কেবল ততটুকুতে সীমাবদ্ধ থাকা।
৩) উছতায অতি সংক্ষেপে ইছ্‌রা ও মি‘রাজের ঘটনা উল্লেখ করেছেন। 
৪) ইছ্‌রা ও মি‘রাজের ঘটনা একবার না একাধিকবার সংগঠিত হয়েছে এতদ্বিষয়ে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। অধিকাংশ ‘উলামায়ে কিরামের অভিমত হলো ইছ্‌রা ও মি‘রাজের ঘটনা একই রাতে সংঘঠিত হয়েছিল।
৫) বাংলাদেশের বেশিরভাগ মুছলমান রাজাব মাসের ২৭ তারিখকে ইছ্‌রা ও মি‘রাজের রজনী বলে গণ্য করেন, প্রকৃতপক্ষে এটা কি সঠিক? উছতায বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন।
৬) ইছ্‌রা ও মি‘রাজের রজনীতে রাছূলুল্লাহ 1 অন্যান্য নাবীদেরকে (m) নিয়ে যখন সালাত পড়েন, তখন তারা কি সেখানে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন?

 

ক্লাস শেষে নিম্নোক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর প্রদান করা হয়:-
ক) السلام عليكم ورحمة الله وبركاته।
রাছূলুল্লাহ 1 এর ইছ্‌রা ও মি‘রাজ সশরীরে ছিল, না রূহানী (আত্মিক) ছিল- এতদ্বিষয়ে ছালাফে সালিহনের (g) মতভিন্নতা কি একথা প্রমাণ করে না যে, ‘আক্বীদাহ সংক্রান্ত বিষয়েও তাদের মধ্যে মতাবিরোধ ছিল?
খ) শারীক ইবনু ‘আব্দিল্লাহ কি বিশ্বস্থ বর্ণনাকারী ছিলেন? যদি না হয়ে থাকেন তাহলে কেন ইমাম বুখারী o তাঁর সূত্রে বর্ণিত হাদীছকে প্রত্যাখ্যান করেননি, অথচ ইমাম মুছলিম o শারীক ইবনু ‘আব্দিল্লাহ o এর সূত্রে বর্ণিত হাদীছ গ্রহণ করেননি?
গ) কোন দ্বীনী বোন কোন আত্মীয়ের বাড়িতে কিংবা কোন অনুষ্ঠানে সম্পূর্ণরূপে মহিলা বেষ্টিত পরিবেশে বেড়াতে গেলে সেখানেও কি তার জিলবাব খুলে রাখা হারাম?
‘আবায়া শুধু কি কালো রঙেরই হতে হবে? অনাকর্ষণীয় রুচিশীল বিভিন্ন কালার কিংবা প্রিন্টেড কাপড় কি পর্দার উদ্দেশ্যে পরা যাবে? জিলবাব পায়ের নিচ পর্যন্ত ঝুলিয়ে না নিয়ে মোজা পরে নিলে কি হবে?

Subscribe to our mailing list

* indicates required
Close